আজ মঙ্গলবার জাপানের কাশিমাতে অনুষ্ঠিত প্রথম  সেমি-ফাইনালে তারা টাইব্রেকারে ৪-১ ব্যবধানে মেক্সিকোকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট লাভ করেছে।

এর আগে গোলশুন্য ড্র ছিল নির্ধারিত ৯০ মিনিটসহ সর্বমোট ১২০ মিনিটের খেলা।টাইব্রেকারে প্রথমে মেক্সিকোর এডুয়ার্ডো গুইমারেসের শটের বলটি ফিরিয়ে দেন ব্রাজিলিয় গোল রক্ষক সান্টোস। পরে তিনি মেক্সিকোর জন ভারকুয়েজের প্রচেস্টাও রুখে দেন।

বিপরীতে ব্রাজিলের হয়ে টাইব্রেকারে সবগুলো পেনাল্টি শট থেকে লক্ষ্য ভেদ করেছেন দানি আলভেস, গাব্রিয়েল মার্টিনেলি, ব্রুনো গুইমারায়েস, ও রেইনিয়ার।

আগামী শনিবার ইয়াকোহামায় অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল ম্যাচ। সেখানে স্পেন কিংবা স্বাগতিক জাপানের মোকাবেলা করবে দক্ষিণ আমেরিকার এই ফুটবল পরাশক্তি।

এবারের অলিম্পিক আসরে সর্বমোট ১৪টি গোল করেছে ২০১২ অলিম্পিকের চ্যাম্পিয়ন মেক্সিকো। তন্মধ্যে কোয়ার্টার ফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে করা ছয় গোলও রয়েছে। কিন্তু ব্রাজিলের নিয়ন্ত্রিত ফুটবলের সামনে কোন প্রচেস্টাতেই আর কাজ হয়নি। প্রথমার্ধে লুইস রোমো’র অসাধারণ একটি প্রচেষ্টা ব্রাজিলের গোল রক্ষক সান্টোস রুখে দেয়ার পর দিয়াগো কার্লোসের একটি প্রচেস্টাও ব্যর্থ হয়েছে।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ হবার আগ মুহুর্তে অবশ্য আসরের সর্বাধিক ৫ গোলের মালিক এভারটনের ফরোয়ার্ড রিচার্লিসন গোলের একেবারে দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিলেন। কিন্তু তার দর্শনীয় হেডের বলটি দুর্ভাগ্যবশত ফিরে আসে পোস্টে লেগে।

এদিকে কোয়ার্টার ফাইনালে টাইব্রেকারে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে জাপান। ফলে অলিম্পিকে পুরুষ ফুটবলে এই নিয়ে টানা সপ্তমবারের মত সেমি-ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল জাপান।

১৯৯২ সালে বার্সেলোনা অলিম্পিকে স্বর্ন পদক জয় করা স্পেন কোয়ার্টার ফাইনালে আইভরিকোস্টের বিপক্ষে শেষ মুহুর্তের গোলে সমতায় ফেরার পর অতিরিক্ত সময়ের খেলায় ৫-২ গোলে জয়লাভ করেছে।