উখিয়া আশ্রয়শিবিরে হাত-পা-মুখ বাঁধা অবস্থায় মোহাম্মদ ছমিন (৩২) নামের এক রোহিঙ্গা যুবককে উদ্ধার করেছে ১৪ আর্মড পুলিশ এপিবিএন সদস্যরা।

শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ৪ নম্বর মধুরছড়া আশ্রয়শিবিরের সি ব্লকে ওই যুবকের বসতঘরের সামনে থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয় শনিবার ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই যুবকের মৃত্যু হয়।

নিহত ছমিন ৪ নম্বর মধুরছড়া আশ্রয় শিবিরের সি ব্লকের বাসিন্দা মোহাম্মদ সুফিয়ানের ছেলে। ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক ও পুলিশ সুপার মো. নাঈমুল হক সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নাঈমুল হক বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে কয়েকজন রোহিঙ্গা যুবকের সঙ্গে কয়েক দিন আগে ছমিনের কথা–কাটাকাটি হয়েছিল। তারই জেরে তাঁকে মারপিট করা হয়েছে বলে নিহত যুবক হাসপাতালে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছেন। তদন্তের স্বার্থে তাঁদের নাম গোপন রাখা হচ্ছে।

এপিবিএন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে কুতুপালং মধুরছড়া আশ্রয়শিবিরে হাত-পা-মুখ বাঁধা অবস্থায় এক যুবককে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন এপিবিএন পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। এপিবিএন পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে রোহিঙ্গা শিবিরের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতাল পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শনিবার ভোরে তিনি মারা যান।

চিকিৎসকের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, নিহত ছমিনের সারা শরীরে লাঠি ও রডের আঘাতের চিহ্ন আছে। তাঁর পেটে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে।

উখিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) গাজী সালাহ উদ্দিন বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সূত্র প্রথম আলো