কক্সবাজার: শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ সড়ক সাবরাং সাগর উপকূলীয় এলাকা কাটাবনিয়া এসক্লোসিব জোন নাফ নদীর প্রতিরক্ষাবাধ বনাম সীমান্ত সড়ক এবং সাবারং হারিয়াখালী হতে শাহপরীরদ্বীপ (পূর্ব বাজার পাড়া) জেটি পর্যন্ত সড়ক ও জনপথ (সওজ) সড়ক (চলমান) নির্মাণ কাজ শেষ হলে, দেশের সর্ব দক্ষিণ স্থল ভাগ শাহপরীরদ্বীপ হয়ে যাবে, পর্যটনের অপার সম্ভাবনাময় স্পট। ক্রমে ধেয়ে আসবে, দেশী ও বিদেশী পর্যটকদের জন্য আকর্ষনীয় উন্নয়নের বহুমূখী স্পট সমুহ।

শাহপরীরদ্বীপ ভৌগলিক অবস্থানে দক্ষিণ, পশ্চিমে সাগর পূর্বে নাফনদী এবং মিয়ানমার ও উত্তরে স্থল ভুমি। যা ভবিষ্যতে হাতছানি দিয়ে ডাকবে পর্যটকদের,শাহপরীরদ্বীপে ৫৫০ মিটার জেটি হবে, সেন্টমার্টিনদ্বীপে পর্যটকদের স্বল্প সময়ে যাতায়াত ব্যবস্থা। এতে করে শাহপরীরদ্বীপের বসবাসরত বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষের অর্থনৈতিক দোয়ার খুলে গিয়ে ভাগ্যের আমুল পরিবর্তন ঘটবে। এমন অভিমত ব্যক্ত করছেন, সচেতন নাগরিকেরা।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (একনেক) ১০৬ কোটি টাকা ব্যয়ে শাহপরীরদ্বীপে টেকসই বেড়িবাধ এবং এর পাশাপাশি মেরিন ড্রাইভ সড়ক নির্মাণ কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে। সেই সাথে সাবরাং হারিয়াখালী হতে শাহপরীরদ্বীপের জেটি ঘাট পর্যন্ত প্রায় ৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫ কিলোমিটার সড়ক, ১২টি বক্সকালবাট, ১টি ব্রীজ এবং সড়কের উভয় পাশে গাইড ওয়াল নির্মাণ কাজ চলছে। প্রায় ৬০% শতাংশ মূল কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বাকি কাজ চলতি বছর শেষ নাগাদ শেষ হবে বলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কেয়ারটেকার (ম্যানেজার) মোঃ সিরাজ এ তথ্যে জানায়। প্রকল্প বাস্তবায়ান করছেন, কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ)।

সড়কটি নির্মিত হলে শাহপরদ্বীপের প্রায় ৩০ হাজার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে এবং পর্যটকেরা বাংলাদেশের স্থল ভাগের ভূমির শেষ ঠিকানা খুজে পাবে, অদুর ভবিষ্যতে শাহপরীরদ্বীপ থেকে সেন্টমার্টিনদ্বীপ পর্যটক ও স্থানীয়দের যাতায়ত ব্যবস্থা সুগম হবে। এমন আশবাদ ব্যক্ত করেছেন, সচেতন মহল ।

প্রবাল/মইম