কক্সবাজার জেলায় কর্মরত এক হাজার ৩৪৭ বেশি পুলিশ সদস্যকে একযোগে বদলি করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশকে ঢেলে সাজানোর অংশ হিসেবে এবার এক হাজার ৩৪৭ পুলিশ সদস্যকে একসঙ্গে বদলি করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বদলি হওয়া ১৩৪৭ জন কক্সবাজার জেলায় কর্মরত বিভিন্ন থানায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে কক্সবাজারের ডিবি ও থানাসহ সব পর্যায়ে দায়িত্বে থাকা ৩৪ জন পরিদর্শককে একযোগে বদলি করা হয়। এরমধ্যে জেলার আট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারাও আছেন।

বদলি হওয়া সকল পরিদর্শককে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাদের বদলিকৃত রেঞ্জে যোগ দিতে বলা হয়েছে। তবে, তাদের সবাইকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের বাইরে পাঠানো হয়েছে।

জেলার সকল পরিদর্শককে বদলির দু’দিন আগে এসপি ও এএসপি পদমর্যাদার আরও ৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়।

এদিকে, গেল ১৬ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে দেয়া এক আদেশে কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) এবিএম মাসুদ হোসেনকে বদলি করা হয়। তাকে কক্সবাজার থেকে বদলি করে রাজশাহীর পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গেল ৩১ জুলাই তথ্যচিত্র ধারণ শেষে হোটেলে ফেরার পথে কক্সবাজার মেরিনড্রাইভে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান। এ ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশ এবং পরিদর্শক লিয়াকতকে।

আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কক্সবাজার জেলা পুলিশের তৎকালীন এসপি এবিএম মাসুদ হোসেনের সঙ্গে একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার কথোপকথনের অডিও ফাঁস হলে সমালোচনার শিকার হন তিনি। পরে, মামলা করেন সিনহা রাশেদ খানের বোন। গত ১০ সেপ্টেম্বর এবিএম মাসুদ হোসেনকে হত্যা মামলার আসামি করতে আদালতে আবেদন করেন সিনহা রাশেদের বোন। তবে, আদালত সে আবেদন খারিজ করে দেয়।