চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা থেকে ২ ভাইকে ধরে নেয়ার পর ৮ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে কথিত বন্দুকযুদ্ধের নামে হত্যার অভিযোগ এনে টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৫ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।

নিহত আমানুল হক ও আজাদুল হকের ছোট বোন রিনাত সুলতানা শাহীন বাদি হয়ে চট্টগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন নাহার রুমি’র আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।

বাদি পক্ষের আইনজীবী জিয়া হাবিব আহসান জানান, আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে সহকারী পুলিশ সুপারকে (আনোয়ারা সার্কেল) তদন্ত করে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার অপর ৪ আসামি হলেন টেকনাফ থানার এসআই ইফতেখারুল ইসলাম, কনস্টেবল মাজহারুল ইসলাম, দ্বীন ইসলাম ও আমজাদ হোসেন।

বাদি জানান, তার দুই ভাইয়ের মধ্যে আমান পেয়ারা ব্যবসায়ী। আজাদ মধ্যপ্রাচ্য থেকে ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন। তাদের বাড়ি চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের ফকিরপাড়া গ্রামে।

বাদিপক্ষের আইনজীবী জানান, আজাদ বিদেশ থেকে এসেছে জানতে পেরে ৮ লাখ টাকা চাঁদার জন্য চন্দনাইশ থানা পুলিশের সহায়তায় গত ১৩ জুলাই আমানকে এবং ১৫ জুলাই আজাদকে ধরে নিয়ে যায় টেকনাফ থানা পুলিশ। চাঁদা না দেয়ায় পরে মাদক ব্যবসায়ী বলে দুজনকেই ক্রসফায়ারে হত্যা করে। ১৬ জুলাই কক্সবাজার হাসপাতালের মর্গে গিয়ে স্বজনরা দুই ভাইয়ের লাশ শনাক্ত করেন। মামলায় চন্দনাইশ থানার তৎকালীন ওসি কেশব চক্রবর্তীসহ অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন পুলিশ সদস্যকেও আসামি করা হয়েছে বলে জানান বাদির আইনজীবী।