সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজারেও শুরু হয়েছে গণটিকা কার্যক্রম। এই গণটিকা কার্যক্রমে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে সহায়তা করেছে জেলা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।

শনিবার সকাল ১১টায় কক্সবাজার পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের এয়ারপোর্ট পাবলিক হাই স্কুলে কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে গণটিকা কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মামুনুর রশীদ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান ও স্থানীয় কাউন্সিলর শাহেনা আক্তার পাখি, মিজানুর রহমান, ছাত্রলীগের স্বেচ্ছাসেবক টিমের সমন্বয়ক হাসান তারেক প্রমুখ।

পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডে ১২টি টিকা কেন্দ্র করা হয়েছে। এতে ২৪০০ জনকে টিকা প্রদান করা হয়। এই কার্যক্রমে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সহায়তা করে ছাত্রলীগ।

কক্সবাজার পৌরসভায় টিকাদান কার্যক্রমে ছাত্রলীগের স্বেচ্ছাসেবক টিমের প্রধান সমন্বয়ক ও জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মইন উদ্দীন জানান, সকাল থেকে পুরো জেলায় ভারী বৃষ্টি।

এরমধ্যেও টিকা নিতে ভীড় করে সাধারণ মানুষ। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশনা অনুসারে স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করে টিকা কেন্দ্রগুলোতে সহায়তা, পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। স্বেচ্ছাসেবকরা জনসাধারণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে করোনা প্রতিষেধক টিকা গ্রহণে সহযোগিতা করেছে।

তিনি আরও বলেন, গণটিকা কার্যক্রমের প্রথম দিনে জেলার ২৫০টি টিকাদান কেন্দ্রে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছে ছাত্রলীগ।

মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে লাইনে দাঁড়ানো থেকে শুরু করে টিকার কার্ড পূরণ ও টিকা গ্রহণ পর্যন্ত সহায়তা করেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

কক্সবাজার সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান জানান, জেলার ৭০টি ইউনিয়ন ও ৪টি পৌরসভায় একযোগে টিকা প্রদান করা হচ্ছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩টি করে টিকাদান বুথ স্থাপন করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মীরা সেখানে নিয়োজিত ছিলো। বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের অগ্রাধিকার দিয়ে টিকা প্রদান করা হয়েছে।