কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র ক্ষুদে বিজ্ঞানী মেহেদী হাসানকে হত্যার দায়ে পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবদুল্লাহ আল মামুন এ রায় দেন।

বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোজাফফর আহমদ হেলালী।

নিহত মেহেদি হাসান শহরের বাহারছড়া এলাকার বাসিন্দা মরহুম মোহাম্মদ সোলাইমান পেশকারের ছেলে।

দণ্ডিত পাঁচ আসামি হলেন- কক্সবাজার শহরের বাহারছড়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ ফারুক প্রকাশ ওমর ফারুক, শাহেদ, মধ্যম বাহারছড়ার সাগর, মিঠু ও ওয়াসিম। এ সময় দুই আসামি মোহাম্মদ ফারুক ও শাহেদ আদালতে উপস্থিত ছিল। বাকি তিন আসামি মিঠু, ওয়াসিম ও সাগর পলাতক রয়েছে। তাদের সাজা গ্রেপ্তার বা আত্মসমর্পণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন বিচারক।

এছাড়া দণ্ডিত প্রত্যেক আসামিকে পাঁচ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড ও প্রত্যেককে অনাদায়ে আরো তিন বছর করে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। দণ্ডিত অর্থ থেকে ১০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হবে। বাকি টাকা নিহতের ক্ষতিপূরণ বাবদ ভিকটিমের মা রোজিনা আক্তারকে দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারক।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ২০ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে কক্সবাজার শহরের সার্কিট হাউজ রোডের বন বিভাগের সামনে মেহেদি হাসানকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় মেহেদী হাসানের বাবা মোহাম্মদ সোলাইমান বাদী হয়ে ২২ এপ্রিল কক্সবাজার সদর থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় পাঁচ আসামির যাবজ্জীবন দেয় আদালত।