কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত রক্ষায় জাতীয় সুরক্ষা কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নেতৃবৃন্দ। পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার দেশের অহংকার এটি সুরক্ষা প্রতিটি নাগরিকের যেমন দায়িত্ব তেমনি সরকারের ও সাংবিধানিক দায়িত্ব রয়েছে। দেশের গর্ব সৈকত ও বঙ্গবন্ধুর সৃজিত ঝাউগাছ কোন ভাবে নষ্ট ও উপড়ে ফেলা যাবেনা। সমুদ্র পাড়ে ঝাউগাছ রক্ষাসহ সৈকত রক্ষায় জাতীয় সুরক্ষা কমিশন গঠন করতে হবে।

১২ ডিসেম্বর সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে কক্সবাজার নাগরিক ফোরাম কতৃক আয়োজিত গোল টেবিল বৈঠকে বক্তারা এ কথা বলেন।

নাগরিক ফোরামের আহবায়ক আনম হেলাল উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত গোল টেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জাতিস্বত্তার কবি মুহাম্মদ নুরুল হুদা।

গোল টেবিল বৈঠকে বক্তারা সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আরো বলেন কক্সবাজারে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত ঝাউগাছ আমাদের অক্সিজেন এটা কাটা তারের বেড়া দিয়ে বন্ধি করা মানে বঙ্গবন্ধুর ইচ্ছাকে বন্ধি করার শামিল। সবদিক উম্মুক্ত করে বিমান ঘাটি শহরের পাশে খুরুশকুল অথবা রামুর চেইন্দায় করার জন্য প্রস্তাব রেখে সমুদ্র পাড়ে প্রস্তাবিত বিমান ঘাটির স্থানে শেখ হাসিনা সমুদ্র জাদুঘর করা হউক।

একই সাথে ইনানীতে সৈকত দখল করে অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ নিয়ে বক্তারা তীব্র নিন্দা জানান ও অবিলম্বে এ বাঁধ নির্মাণ বন্ধ করে মেরিন ড্রাইভকে সাগরের ভাঙন থেকে রক্ষার দাবি জানান বক্তারা। বৈঠকর শুরুতে পদ্মা সেতু বাস্তবে রুপ দান করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানো হয়।

আলোচনায় অংশ নেন জাতিয় ভাস্কর রাশা,বিমান বাহিনীর (অবঃ) কর্মকর্তা গ্রুপ ক্যাপ্টেন লোকমান ফারুক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. যোবায়ের মোহাম্মদ এহেসানুল হক,কমিশনার গোলাম হোসেন,সাংবাদিক নেতা কেএম শহীদুল হক,জনপ্রশাসন পত্রিকার সম্পাদক নঈম মাশরেখী,কবি ইয়াদি মোহাম্মদ, নাগরিক ফোরামের সদস্য সচিব অধ্যাপক আনোয়ারুল হক, মোর্শেদুর রহমান খোকন,মুরাদুল কবির,হাজি মোঃ ইলিয়াস।