করোনায় পড়ালেখার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শিক্ষকদের দায়িত্ব নেয়ার আহবান জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক। বুধবার নরসিংদীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে গিয়ে তিনি একথা জানান।

স্বাস্থ্যবিধি না মেনে শ্রেণি কার্যক্রম চালানোয় ওই জেলার বাজনাব আবুল ফয়েজ মোল্লা উচ্চ বিদ্যালয় এক শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশও দিয়েছেন তিনি।

করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে দূরত্ব রেখে করা হয়েছে আসন বিন্যাস। শুধু তাই নয়, প্রতিষ্ঠানে ঢোকা আর বের হবার আছে নির্দেশিকা। আছে হাত ধোয়ারও দারুন ব্যবস্থা। এ চিত্র নরসিংদী জেলার শহীদ আসাদ কলেজিয়েট গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের।

স্বাস্থ্যবিধি মানার এমন ছবি আছে এই জেলার আরও প্রতিষ্ঠানে। এমনকি প্রত্যন্ত গ্রামে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস আর ছুটির পর মাস্ক পরা শিক্ষার্থীদের ছবি রীতিমতো মুগ্ধ করে।

যদিও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে শ্রেণি কার্যক্রম চালানোর কারণে বাজনাব আবুল ফয়েজ মোল্লা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক নূর মোহাম্মাদকে কারণ দর্শাতে বলেছে মাউশি।

এদিকে, নরসিংদী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই ছিলো অভিভাবকদের উপস্থিতি। মাউশি মহাপরিচালক জানান, এই নজরদারি অব্যাহত থাকবে। আর ক্ষতি পোষাতে উদ্যোগী হবার সময়টা এখনই।

তিনি আরো জানান, করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের যে ঘাটতি হয়েছে তা নিয়মিত পাঠদানের মাধ্যমেই পূরণ করা সম্ভব হবে। ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঝরে পড়ার তথ্য জানতে প্রতিদিন ডাটাবেইজ তৈরি করা হচ্ছে। সব প্রতিষ্ঠানের তথ্য পাওয়ার পর দ্রুতই ঝরে পড়া শিক্ষার্থী সম্পর্কে জানা যাবে।