প্রথম ডোজের পর এবার গনটিকা কর্মসূচীর দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেয়া শুরু হল।

গত মাসের সাত তারিখে যারা গণটিকা নিয়েছে তারাই আজ মডার্নার দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারবেন।

করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরুর সময় সকাল ৯টা হলেও রাজধানীর বিভিন্ন কেন্দ্রে তার আগেই টিকা প্রত্যাশীরা ভিড় জমাতে থাকেন। সকাল ৯টার মধ্যেই অনেক কেন্দ্রে মানুষের সারি দেখা যায়।

খিলগাঁও নগর স্বাস্থকেন্দ্র ঘুরে এসে দেখা গেলো সকাল নটায় শুরু হয় দ্বিতীয় ডোজের টিকা প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই কেন্দ্রে দ্বিতীয় ডোজের ৮০০ জনকে টিকা দেয়া হবে। দ্বিতীয় ডোজ হওয়ায় লম্বা লাইন নেই। সকাল থেকে কোন জটিলতা ছাড়াই এখন পর্যন্ত টিকা কার্যক্রম চলছে।

গত সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের সভাপতিত্বে করোনা গণটিকা কার্যক্রমের আওতায় দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার লক্ষ্যে একটি ভিডিও কনফারেন্সে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মঙ্গলবার থেকে দেশব্যাপী করোনার দ্বিতীয় ডোজ গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। সব সিটি করপোরেশন এলাকায় আগস্টের ৭ ও ৮ তারিখে যারা প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছিলেন তারা একই কেন্দ্রে মঙ্গলবার দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করবেন। যারা আগস্ট ৯ ও ১০ তারিখে টিকা গ্রহণ করেছিলেন তারা ৮ সেপ্টেম্বর এবং যারা ১১ ও ১২ আগস্ট তারা ৯ সেপ্টেম্বর একই কেন্দ্রে দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণ করবেন। সিটি করপোরেশন বহির্ভূত এলাকায় ৭ আগস্ট যারা যে কেন্দ্রে প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন, প্রত্যেকেই একই কেন্দ্রে মঙ্গলবার দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণ করবেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকাদান কর্মসূচির পরিচালক ও ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক গণমাধ্যমকে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানান।

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের টিকার বিশেষ ক্যাম্পেইনের (গণটিকা) আওতায় গত মাসে প্রথম ডোজ নেওয়া ব্যক্তিদের মঙ্গলবার থেকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। বিশেষ করে গত ৭ থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত যারা রাজধানী থেকে শুরু করে ইউনিয়ন-ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন, তারা প্রথম ডোজের টিকা কার্ড নিয়ে একই কেন্দ্রে গেলেই টিকা পাবেন।  এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের জন্য বরাদ্দকৃত দ্বিতীয় ডোজের টিকা পাঠানো হয়েছে। এক্ষেত্রে দিনের টিকাদান শুরুর প্রথম দুই ঘণ্টায় (৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত) শুধু বয়স্ক ও নারীদের টিকা দেওয়া হবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে।

এদিকে ১৮ বছরের নিচের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া না দেওয়া নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হলেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর