চকরিয়ায় কঠোর লকডাউন না মেনে ইলিশিয়ায় পশুর হাট বসানোর অভিযোগ উঠেছে। এতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছে গরু ক্রয় ও বিক্রয় করতে আসা সাধারণ মানুষ। রবিবার সকালে থেকে এ বাজার বসে।

অভিযোগ রয়েছে, লকাডাউনের বিধি-নিষেধ মানার কোন বালাই নেই।

অধিকাংশ ক্রেতা বিক্রেতার মুখে মাস্ক নেই। উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি না নিয়ে এ হাট বসায় এলাকাবাসীর মাঝেও ক্ষোভ বিরাজ করছে। হাটকে কেন্দ্র করে হোটেল ও চায়ের দোকানগুলো লোকজনে ঠাসা। এতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কায় এলাকাবাসী উদ্বিগ্ন।

রবিবার সরকারিভাবে কোরবানি উপলক্ষে পশুর হাট বিষয়ে ২৩ নির্দেশনা জারি হলেও ইলিশিয়া বাজারে একটি নির্দেশনাও মানা হয়নি।

এদিকে শনিবার চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকসহ ১৭ জন করোনা পজেটিভ হয়েছে। যা করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে সর্বাধিক সংখ্যক করোনা আক্রান্ত।

সরকারীভাবে পশুর হাট বসানোর ব্যাপারে নির্দেশনা থাকলেও তা না মেনে স্থানীয় পশ্চিম বড় ভেওলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বাবলার প্রভাব খাটিয়ে ইলিশিয়া পশুর হাট বসানো হয়েছে।

ইলিশিয়া পশুর হাট ইজারাদার সিরাজুল ইসলাম বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করেই এই হাট বসানো হয়েছে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে পশুর হাট বসাতে হবে। অনুমতি না নিয়ে ও স্বাস্থ্যবিধি না মানলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।