বাবা ছিলেন তিনবারের হ্নীলা ইউপির চেয়ারম্যান এবং একবারের জাতীয় সংসদ সদস্য। আজীবন রাজনীতির মাঠে চষে বেড়িয়েছেন জনতার স্রোতে। এমনই একজন রাজনীতিকের আদর্শ পুত্র তথা মরহুম আলহাজ্ব অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর সুযোগ্য উত্তরসূরি রাশেদ মাহমুদ আলী। চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন দুই বছর পূর্ণ হয়নি। এত অল্প সময়ের মধ্যে মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটেছেন রাতদিন। ঝঁড় বৃষ্টি তুফান কোন কিছুই দমিয়ে রাখতে পারেনি মানবসেবায় আত্ম নিবেদিত এ মানুষটিকে। যার সর্বশেষ নজির দেখিয়ে দিলেন পানখালী সড়কে বড়কারে ভাঙ্গনের অংশে নিজ উদ্যোগে এবং নিজ খরছে ভরাটের কাজ শুরু করে দিতে। পানখালীর এসড়কটি জরাজীর্ণ আর খানাখন্দে পড়ে আছে অনেক দিন ধরে। স্থানীয় চেয়ারম্যান হিসেবে সংশ্লিষ্টদের নজরে আনার চেষ্টা করেছেন সড়কটির সংস্কারের বিষয়টি। অবশেষে সফল ও হয়েছেন চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুুদ আলী। এলজিইডি বিভাগের অধীনে পুরো সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু হবে শীঘ্রই। কিন্তু বাধসাধে এ সড়কটির কবরস্থান সংলগ্ন অংশে ভাঙ্গা গর্ত নিয়ে। আর এ গর্ত যাতায়াতকারী মানুষের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রতিনিয়ত। এ কষ্ট যেন সাময়িকভাবে হলেও কমে এবং মানুষ ভালভাবে চলতে পারে তার জন্য নিজস্ব পদক্ষেপ। ১২ সেপ্টেম্বর, রবিবার নিজে দেখতে গেলেন এবং লোকজন গর্ত ভরাট করতে শুরু করলেন। এদিকে ২০ সেপ্টেম্বর ইউপি নির্বাচন, যে নির্বাচনে নিজেই প্রার্থী তাই গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিদিন। তবুও মানুষের কষ্টের কথা চিন্তা করলেন এবং পদক্ষেপ নিয়ে কাজও শুরু করলেন পানখালীবাসীর কষ্ট লাঘবের জন্য। স্যালুট জনতার চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী। তোমাকে চাই হ্নীলা ইউনিয়নবাসী। তোমাকে চাই গরীব,দুঃখী মানুষ।