প্রবাল প্রতিবেদক : জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন বলেছেন-জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ফি আদায় করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোন রোহিঙ্গাকে জন্ম নিবন্ধন দিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার জাতীয় জন্ম নিবন্ধন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সভায় উপরোক্ত কথা বলেন। তিনি বলেন নাগরিক অধিকার সুরক্ষা করতে ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করা জরুরি। উক্ত সময়ের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন করলে কোন ফি দিতে হবে না।

৪৬ দিন থেকে ৫ বছর পর্যন্ত জন্মনিবন্ধনের ফি ২৫ টাকা, ৫ বছরের ঊর্ধ্বে জন্ম নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা। এর অতিরিক্ত টাকা কোন জনপ্রতিনিধি কিংবা পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদের সচিব গ্রহণ করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যেহেতু জন্মনিবন্ধন নাগরিক অধিকার সেহেতু সরকার নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত টাকা কোনভাবেই গ্রহণ করা যাবেনা।

হিলডাউন সার্কিট হাউসে অরুণোদয় স্কুলে অনুষ্ঠিত জন্ম নিবন্ধন সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার শাখা উপ-পরিচালক শ্রাবন্তী রায়।

জেলা প্রশাসন আয়োজিত ইউনিসেফের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মজিবুর রহমান, ইউনিসেফের প্রতিনিধি প্যাট্রিক হিলটন, স্থানীয় সরকার শাখা উপ-পরিচালক শ্রাবন্তী রায়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি আমিন আল পারভেজ, ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান, খুরুস্কুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।

বক্তব্য শেষে জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদান উদ্বোধন করা হয়। সর্বপ্রথম জেলা প্রশাসকের হাত থেকে নিজের জন্ম নিবন্ধন গ্রহণ করেন কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মজিবুর রহমান। এর পরে খুরুস্কুল, পিএমখালী, উখিয়ার কয়েকটি ইউনিয়নের শিশু ও মহিলা কে জন্ম নিবন্ধন প্রদান করা হয়। এছাড়া নির্বাহী আদেশে বেশ কয়েকটি জন্ম নিবন্ধন অনুমোদন দেওয়া হয়।

নির্বাহী আদেশে অনুমোদিত জন্ম নিবন্ধন হলো ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পৌর মেয়র মজিবুর রহমান,পিএমখালী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ছোট মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিহাদ বিন আলী,উক্ত ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোয়াজ্জেম হোসেন, ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মেলাথোয়াই, জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আভা রুদ্র, ফতেখারকুল ইউনিয়ন পরিষদের সচিব নিরোদ বরন পাল।