টেকনাফের সমুদ্র সৈকত থেকে ১২ লাখ টাকা মূল্যের ৬০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ মাছ ধরার জাল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় বাহারছড়ার শামলাপুরের হেলাল উদ্দিন নামে এক নৌকার মালিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শুক্রবার (২০ মে) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকাল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন সমুদ্র সৈকত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব  জাল জব্দ করা হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কায়সার খসরু।

এসময় তার সাথে ছিলেন উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন, নৌ পুলিশ পরিদর্শক নান্নু মিয়া ও কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশনের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মো. ইসমাইল প্রমূখ।

ইউএনও কায়সার খসরু বলেন, শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার টেকনাফ পর্যটন মাছ ঘাট, মহেশখালীয়াপাড়া, তুলাতুলি, বাহারছড়ার বড় ডেইল ও শামলাপুর মাছ ঘাট এলাকার বিভিন্ন সমুদ্র সৈকতে মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৬০ হাজার মিটার বিহিঙ্গি, কারেন্ট ও বিভিন্ন ধরনের জাল জব্দ করা হয়েছে। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ লাখ টাকা। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় একজনকে জরিমানা করা হয়।

উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, জব্দ করা জালগুলো স্ব স্ব এলাকায় পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার জেলেদের মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী এসব জাল ব্যবহার না করার পাশাপাশি সরকারি আদেশ মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয় এবং অনেককে সতর্ক করা হয়েছে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকব বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, সামুদ্রিক মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন ও সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন সমুদ্রে সকল প্রকার মৎস্য নৌযান কর্তৃক মৎস্য আহরণ কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে বলে সরকারিভাবে প্রজ্ঞাপণ জারি করা হয়।