টেকনাফ পৌর শহর টু বাহারছড়া শামলাপুর সড়কের বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে। বাহারছড়া প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাগর বেষ্টিত পাহাড়ি এলাকার মানুষ যাতায়তের দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। জানা যায় চলতি ২০২১- ২০২২ অর্থবছরে টেকনাফ পৌর শহর জিরো পয়েন্ট থেকে বাহারছড়া শামলাপুর পর্যন্ত ৩১ কিঃ মিটার ( এলজিইডি) সড়কের ১৫ কিঃ মিটার সড়ক ইতোমধ্যে টেন্ডার হয়েছে। বাকি শামলাপুর সড়কের ১৬ কিঃ মিটার সড়ক এখনো টেন্ডার হয়নি। টেন্ডারকৃত ১৫ কিঃ মিটার সড়কের উন্নয়ন কাজ শীঘ্রই শুরু হবে বলে টেকনাফ উপজেলা স্থানীয় সরকার এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ থাকে যে টেকনাফ – শামলাপুর ৩১ কিঃ মিটার সড়ক বর্তমানে যাতায়াত অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কে ভগ্ন ও জরাজীর্ণ হওয়ায় স্থানীয়রা যাতায়াতে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। এমনকি ব্রিজ গুলোর মধ্যে কয়কটি ব্রিজ ফাটল ও ভগ্নতার মধ্যে যাত্রীবাহী ও পরিবহন গাড়ি ঝুঁকি মাথায় নিয়ে যাতায়াত করছে।

টেকনাফ সীমান্ত উপজেলার পৌরসভা সহ ৭ ইউনিয়নের মধ্যে বাহারছড়া সমুদ্র উপকূলীয় ইউনিয়ন একটি প্রত্যন্ত এবং পর্যটন ইউনিয়ন। দীর্ঘ ১৮ মাইল লম্বা এবং পাহাড় ও সাগর বেষ্টিত এ ইউনিয়নের অবস্থান। এখানকার মানুষের আই এর একমাত্র উৎস মৎস্য আহরণ. উৎপাদিত পান. সুপারি. তরমুজ. তরিতরকারি.লবণ এবং বনজ দ্রব্য। এসব উৎপাদিত পণ্যাদি বাজারজাত করণের একমাত্র মাধ্যম এ সড়কটি। বিকল্প সড়ক হিসাবে সাগর উপকূলের “মেরিন ড্রাইভ” “সাড়কটি থাকলে ও এ সড়ক দিয়ে ভারী যানবাহন ও মালামাল পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা থাকায় অভ্যন্তরীণ টেকনাফ শামলাপুর সড়কটির গুরুত্ব বেড়ে যায়।

অতীতে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সড়কের অধিকাংশ স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিলে সড়ক যোগাযোগের অযোগ্য হয়ে পড়ে। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাওঃ আজিজ উদ্দিন জানান. এ বিষয়ে আমি উপজেলা পরিষদ মাসিক সাধারণ সভায় প্রায় উত্থাপন করে আসছি।

টেকনাফ উপজেলা স্থানীয় সরকার অধিদপ্তর এলজিইডি প্রকৌশলী জানান. চলতি অর্থ বছরে ১৫ কিলোমিটার সড়কের টেন্ডার হয়েছে বাকি ১৬ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ পরবর্তীতে হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।