জাতে মাতাল, তালে ঠিক, এর নামই আওয়ামী লীগ। ভুল বুঝাবুঝি কিংবা প্রতিযোগিতার ছলে রাজপথে যতই ঝগড়া বিবাধ থাকুক না কেন, দিন শেষে শেখ হাসিনার কর্মীরা ঠিকই ঐক্যের শ্লোগান দেয়।

তাই মুজিবাদর্শের প্রতিজন সৈনিক নিশ্চিতভাবে বলতে পারে-ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগকে কেউ কখনোই হারাতে পারেনা।”

 

বৃহস্পতিবার বিকেলে এটিএন পার্ক কমিউনিটি সেন্টারের কনভেনশন হলে চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা এসব কথা বলেন।

চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমান।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট বদিউল আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রনজিত দাশ ও মাহবুবুল হক মুকুল।

চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন চকরিয়া পৌরসভার বর্তমান মেয়র ও পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আলমগীর চৌধুরী, চকরিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু।

কর্মী সভার শুরুতে নিজের দলীয় প্রতীক ফুলের নৌকা হাতে তুলে দিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমানকে বরণ করে নেন মেয়র আলমগীর চৌধুরী।

এসময় হাজারো নেতাকর্মী করতালির মাধ্যমে জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দকে স্বাগত জানান।

পরে সভাপতির বক্তব্যে নিজের ভুল বুঝতে পারার কথা স্বীকার করে জেলা আওয়ামী লীগের-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সাংসদ জাফর আলম। তিনি বলেন, আগামীতে জেলা আওয়ামী লীগের পরামর্শ এবং সিদ্ধান্তক্রমে দল পরিচালিত হবে।

এসময় জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট আয়াছুর রহমান, আবদুল খালেক, কাজী মোস্তাক আহমদ শামীম, লায়ন কমরুদ্দীন আহমদ, আমিনুর রশীদ দুলাল, মিজানুর রহমান, চকরিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফজলুল করিম সাঈদী, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কায়সারুল হক জুয়েল, ভাইস চেয়ারম্যান উম্মে কুলসুম মিনু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।