বান্দারবান নাইক্ষ্যংছড়ির দোছড়ি ইউনিয়নে একটি বেসরকারি দোছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় এবং এনজিও কোডেক রেজিস্টার ক্যাম্পের জুনিয়ার হাই স্কুলে ১জন শিক্ষক মোট ২টি স্কুলে একই সময় ডাবল চাকরি কিভাবে  করে এনিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এলাকাবাসী।
চাকরি করা শিক্ষকটি হলেন শাহা জালাল পিতা মিয়া হোছন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা।
গোপন সূত্রে জানা যায় দোছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় এমপিও ভুক্ত হবে সে আশায় ডাবল চাকরি করে যাচ্ছেন।
দোছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি হাবিবুল্লাহ চেয়ারম্যান জানান ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে স্কুলটিতে একাদশ শ্রেণি খোলার পর তিনি নিয়োগ পেয়েছেন।অভিযুক্ত তৎকালীন ব্যবস্থাপনা কমিটি একাদশ শ্রেণির পাঠদানের অনুমতি নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে তখন মোট ৬জন শিক্ষক নিয়োগ করা হয়।
দোছড়ি ইউনিয় এর স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা বলেন, ১জন শিক্ষকের ডাবল চাকরির বিষয়টি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার শিক্ষা অফিস এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে মৌখিক ভাবে জানানোর পরও কোনও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। এবার শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষাসচিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করে লিখিতভাবে অভিযোগ করবেন বলে জানান ।
দোছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহজাহান বলেন, শাহা-জালাল আমার স্কুলের সহকারী শিক্ষক তিনি এনজিওর চাকরি ছেড়ে দেওয়ার কথা কিন্তু লকডাউন এর কারণে কোন রকম ব্যবস্থা নিতে পারছিনা।
উখিয়া কুতুপালং রেজিস্টার ক্যাম্পে কোডেক এনজিও স্কুলের টিও বলেন, শাহা-জালাল আমার স্কুলের শিক্ষক এবং স্কুল থেকে  নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলন করছেন।
যদিও একই সাথে দুই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার বিধান পরিপন্থী। এছাড়া অনৈতিকও বটে। আর্থিক সুবিধা লাভের আশায় দুই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছে বলে জানাযায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহা-জালালের সহযোদ্ধা রেজিস্টার ক্যাম্পের এনজিও কোডেক  স্কুলের প্রধান শিক্ষক জাহিদ হোসেন।