পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির প্রথম দিনের আগেই আজ শুক্রবার দেশের দক্ষিণবঙ্গ অঞ্চলের লাখ লাখ ঘরমুখো মানুষ নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছেন। তবে এবার আর কোনও প্রকার ভোগান্তি নয়, মূহুর্তের মধ্যে প্রমত্ত পদ্মা পাড়ি দিতে পেরে ঈদের আগেই আরও এক ঈদ আনন্দ উপভোগ করছেন সবাই। এর আগের ঈদ যাত্রায় বিড়ম্বনার কথা মনে করে অনেকে মাওয়া ঘাটের উপর অনেক ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। ঘরমুখো মানুষ পদ্মাসেতুকে তাদের আরও একটা স্বাধীনতার স্বাদ পাইয়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণবঙ্গের হাজারো যাত্রী সাধারণ।

সরেজমিনে আজ শুক্রবার সকালে পদ্মা উত্তর পাড়ে টোল প্লাজার সামনে ঈদে ঘরমুখো মানুষের গাড়ির চাপ দেখা গেছে। ব্যক্তিগত গাড়ি ও বাসের পাশাপাশি অনেকে ট্রাকে কাভার্ডভ্যানে চড়ে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে। যারা ট্রাকে বা কাভার্ডভ্যানে চড়ছেন তারাও বেজায় খুশি কারণ এখন তাদের বাড়ি ফিরতে অতটা সময় লাগেনা। কারন পদ্মাসেতু দিয়ে প্রমত্ত পদ্মা পাড়ি দিতে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে।

তাছাড়া সেতুর দুই পাশে এক্সপ্রেসওয়ে গাড়ি চলে নির্বিঘ্নে অন্যরকম ছন্দে। এতো সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে বাড়ি যেতে পেরে বর্তমান সরকার ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন খুলনার তেরখাদা দাদার বাড়ি ফেরা নাঈমা অথী ৷

এদিকে, মাওয়া ফেরিঘাট এলাকায় নেই কোন কোলাহল তবে পদ্মাসেতুতে মোটরসাইকেল উঠার উপর বিধিনিষেধ থাকায় মোটরসাইকেল গুলি ফেরিতে চড়ে পার হচ্ছে। এতে করে ঘাটে তেমন কোন চাপ নেই বলা চলে।

ঘাটের লঞ্চ সি-বোটে কোনও লোক নাই পার হওয়ার। যার ফলে আজ যাদের চরম ব্যস্ততায় দিন কাটার কথা ছিল তারা এখন বেকার বসে আছে।