গত ৯ অক্টোবর প্রবাল নিউজসহ কয়েকটি অনলাইন পত্রিকা ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘অবশেষে রোহিঙ্গাদের কবল থেকে প্রাণে বেঁচে ফিরে এলো নোহা চালক বশর’ ও হরেকরকম শিরোনামে প্রকাশিত কয়েকটি সংবাদ আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। যার অংশবিশেষ সম্পুর্ণ অনুমাননির্ভর অপপ্রচারের অংশ বিশেষ।

আমি হ্নীলা স্টশনের নোহা গাড়ির একজন নিয়মিত লাইনম্যান। নোহা পরিবহন সংক্রান্ত বিষয়ে যাত্রীদের সহায়তা করা লাইনম্যান হিসেবে আমার দৈনন্দিন দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে অন্যতম একটি।

আমার আপন বড় ভাই শামশুল আলম প্রকাশ দদাইয়া গত ৭ অক্টোবর রাতে পরেরদিন সন্ধ্যায় কুতুপালং ভাড়া যেতে একটি নোহা গাড়ি নিতে বলে।

আমি তার কথামত পরের দিন বিকেলে রংগীখালী গ্রামের ড্রাইভার নুরুল বশরের নোহাটি সাড়ে ৩ হাজার টাকা দিয়ে ভাড়া করে দিই। আমি একজন লাইনম্যান হিসেবে কর্তব্য মনে করা এ দায়িত্ব পালনকে সেদিন কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘটে যাওয়া বাংলাদেশী ড্রাইভার খুনের সাথে নেপথ্যে আমি ও আমার বড় ভাই জড়িত আছি মর্মে সংবাদ পরিবেশন সম্পূর্ণ মিথ্যা ও অনুমাননির্ভর। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এ ধরনের মিথ্যা, অনুমাননির্ভর সংবাদে কাউকে বিভ্রান্ত না হতে আহবান জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী
ছৈয়দ আলম (কালু ড্রাইভার)
দরগাহ।

নোহা,জীপ,মাইক্রো,পিকাপ ইত্যাদি গাড়ির লাইনম্যান, হ্নীলা স্টেশন, টেকনাফ, কক্সবাজার। মোবাইল নং 01862659452