প্রধানমন্ত্রীর ১০টি উদ্ভাবনী বিশেষ উদ্যোগের প্রতিটিই অত্যন্ত চমকপ্রদ বলে উল্লেখ করেছেন জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ। তিনি বলেছেন, দেশকে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রীর অনেক উদ্যোগ আছে। তবে তাঁর বিশেষ ১০ উদ্যোগ দেশকে বদলে দিয়েছে। এসব উদ্যোগকে আরও শাণিত করতে হবে।

আজ সোমবার উখিয়া উপজেলা পরিষদের হলরুমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত কর্মশালা উদ্বোধনের সময় জেলা প্রশাসক এসব কথা বলেন।

মোঃ মামুনুর রশীদ তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন, ‘সরকারের উদ্দেশ্য হচ্ছে আধুনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা সে জন্য কাজ করছি। তাঁর দক্ষ নেতৃত্বে দেশ সব ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে।

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা একদিকে যেমন আমাদের সোনালি অতীতকে স্মরণ করিয়ে দেয়, তেমনি এটা আমাদের সোনালি ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাও জানিয়ে দেয়। প্রধানমন্ত্রীর ১০টি উদ্যোগ আমাদের জীবন, সমাজ ও দেশকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করছে। প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়েছেন বলেই করোনাকালে দেশ স্থবির হয়ে যায়নি।

প্রধানমন্ত্রীর ১০টি উদ্যোগ বিশেষভাবে গবিব মানুষের জন্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ উদ্যোগগুলো যদি আমরা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি তবেই সোনার বাংলা গড়া সম্ভব হবে। দেশকে আলোকিত করেছেন শেখ হাসিনা। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ তাঁরই উদ্যোগ। দেশের ঘরে ঘরে এখন বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে।’

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন সজিবের সভাপতিত্বে উপজেলা কমিশনার (ভূমি) তাজ উদ্দিন আহমদের পরিচালনায় উক্ত কর্মশালায় উপজেলার সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার লোকজন অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রীর ১০টি বিশেষ উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ এবং নতুন সম্ভাবনা চিহ্নিত করার পাশাপাশি উদ্যোগসমূহের বহুল প্রচারে করণীয় নির্ধারণ বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়নের উদ্দেশ্যে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় জানানো হয়—পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, আশ্রয়ণ, শিক্ষা সহায়তা, নারীর ক্ষমতায়ন, সবার জন্য বিদ্যুৎ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, পরিবেশ সুরক্ষা, বিনিয়োগ বিকাশ, কমিউনিটি ক্লিনিক ও শিশু বিকাশ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি বিশেষ উদ্যোগ নামে পরিচিত।

এ উদ্যোগগুলো প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ভিশন ২০২১ অর্জনসহ দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে এবং বাংলাদেশকে ইতোমধ্যে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত করেছে