বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো প্রশিক্ষিত কর্মী গেল সার্বিয়ায়। শনিবার (১২ জুন) ভোরে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে প্রথম দফায় ৯ জনকে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালক মো. শহীদুল আলম।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ১৭টি শর্তে নতুন এই দেশে ভিসা প্রাপ্তির প্রেক্ষিতে কর্মী নিয়োগের অনুমতি দেওয়া হয়। সার্বিয়ার বেডেম এনার্জি সলিউশন্স কোম্পানির জন্য ৩২ জন কর্মীর চাহিদাপত্র পায়

রিক্রুটিং এজেন্সি লিংক-আপ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ৩২ জন কর্মীর চাহিদাপত্রের বিপরীতে ভিসা প্রাপ্ত ১৩ জন কর্মীর নিয়োগ অনুমতি দেয় মন্ত্রণালয়। আর এর সঙ্গে স্মার্ট কার্ড ইস্যু সহ ১৭টি শর্ত জুড়ে দেয় মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে অন্যতম প্ৰধান শর্ত হচ্ছে- রিক্রুটিং এজেন্সির একজন প্রতিনিধি তাদের সঙ্গে যাবেন।

সার্বিয়ান এই কোম্পানি ট্রাক ড্রাইভার, এক্সকাভেটর ড্রাইভার, টিম লিডার, সিএনজি কম্প্রেসার মেকানিক, ট্রাক মেকানিক, ট্রাক ওয়াসার, কুক এবং ক্লিনার পদে কর্মীর চাহিদা দিয়েছে। তাদের বেতন ৩০০ থেকে ৫৭০ ইউরো পর্যন্ত। অন্যান্য সুবিধার মধ্যে আছে খাবার, চিকিৎসা এবং বাসস্থান। যাতায়াত কোম্পানি বহন করবে, চাকুরির মেয়াদ হবে দুই বছর যা  নবায়নযোগ্য এবং ৮ কর্মঘণ্টা কাজ করতে হবে। এছাড়া বিমান ভাড়া যোগদানকালীন সময়ে কর্মী বহন করবে এবং অন্যান্য শর্তাবলী সার্বিয়ার শ্রম আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য হবে।

বিএমইটি মহাপরিচালক মো. শহীদুল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, নতুন এই বাজারে কীভাবে বেশি সংখ্যক দক্ষ কর্মী পাঠানো যায় সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। প্রথম দফায় ৯ জন গেছেন, বাকিরাও দ্রুত যেতে পারবেন বলে আশা করছি।