করোনাভাইরাসের কারণে এবার সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে লটারির মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। গত সোমবার অনলাইনে লটারির ফলাফল প্রকাশ করা হয়। অনলাইনে ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পর অনলাইন দোকানগুলোতে ছিল অভিভাবকদের ভিড়।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে সুনামগঞ্জের সরকারি সতীশ চন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এক ছেলে শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, কম্পিউটারে আবেদন করার সময় ভুল করে আমাদের বিদ্যালয়ে আবেদন করা হয়েছে।

ভর্তির সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীর নাম লিয়ন রায়। সে পৌর শহরের ষোলোঘরের বাসিন্দা। সে ষষ্ঠ শ্রেণিতে মর্নিং শিফটে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে বলে প্রকাশিত ফলাফলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার পাশাপাশি অনেকে রসিকতাও করছেন।

বুধবার (১৩ জানুয়ারি) বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৬ষ্ঠ শ্রেণির দুই শিফটে ২৪০টি আসন রয়েছে। লটারিতে ছেলের নাম ছাড়াও তালিকায় একই শিক্ষার্থীর নাম একাধিকবার এসেছে। তাদের ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

শিক্ষার্থী লিয়ন রায়ের বাবা তপন রায় জাগো নিউজকে বলেন, অনলাইনে আবেদন করার সময় দোকানী ভুল করে প্রথমে সতীশ চন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে আবেদন করেছে। পরে আবারও দোকানদারের পরামর্শে সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ে আবেদন করা হয়। লটারির ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায় সে সতীশ চন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছে।

সতীশ চন্দ্র (এসসি) বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফিজ মো. মাশহুদ চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, কম্পিউটারে আবেদন করার সময় ভুল করে সতীশ চন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে আবেদন করা হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী ৩-৪ বার করে আবেদন করেছে। ফলে তাদের নাম লটারিতে ৩-৪ বার করে এসেছে।

যাদের একাধিকবার নাম এসেছে তাদের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করে তাদের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।