মাস্ক পরে ভারী কাজ বা ব্যায়ামে রয়েছে কঠিন স্বাস্থ্যঝুঁকি, এমনটাই বলছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞরা।

সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, মাস্ক পরে শরীরচর্চা করলে শরীরে অক্সিজেন কমে যায়। ফলে বিপদে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে। তবে মাস্ক পরার বিষয়ে কঠোর  নির্দেশনাও ঠিক রেখেছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাদের পরামর্শ, বাইরে বের হলেই মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। কিন্তু ব্যায়ামের সময় মাস্ক পরলে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ার ঝুঁকি থাকে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ব্যায়াম করলে মাস্ক পরার দরকার নেই।

হাঁপানির সমস্যা কিংবা আইএলডির, ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ বা সিওপিডির মতো যেকোনো ফুসফুসের অসুখ থাকলে মাস্ক পরতেই হবে। কিন্তু ভারী কাজের সময় না পড়লেও লোকের ভিড়ে যেতে এদের মাস্ক ব্যবহার করতেই হবে।

যারা সুস্থ তাদেরও মাস্ক পরে ভারী ব্য়ায়াম বা কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। শরীরে ক্লান্তিবোধ হলে সঙ্গে সঙ্গেই ব্যায়াম থামিয়ে দিন। জোর করে ব্যায়াম চালিয়ে যাবেন না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যায়াম বা যেকোনও শারীরিক ব্যায়াম ফুসফুসে বাতাস বেশি টানে। ফুসফুসকেও অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হয় এ সময়। মুখে মাস্ক থাকলে ফুসফুসে বাতাস ঢুকতে বাধার সৃষ্টি হয়। এতে একটুতেই ক্লান্ত হয়ে হাঁফিয়ে উঠেন। যা শ্বাসকষ্টের প্রধান কারণ হতে পারে।