আগামী ১ জুন থেকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে তৃতীয় যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হবে। এর জন্য দুই দেশের রেল মন্ত্রণালয় সব প্রস্তুতি শেষ করেছে।

এদিকে ভারতীয় রেলের প্রস্তাবিত ওই ট্রেনটিতে করে সাতজন লোকো পাইলট ও গার্ডের একটি প্রতিনিধি দল আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রেন চলাচলের আগে ভারতের নিউ জলপাইগুড়ি থেকে ৬৬টি কিলোমিটার সীমান্ত রেলগেট পর্যন্ত লার্নিং রোডের (এলআর) রুট পরিদর্শন করেছে।

রোববার (২৯ মে) সকালেই ট্রেনটির লার্নিং সম্পন্ন করে নিউ জলপাইগুড়ি ফিরে যায় মিতালী।

নিয়ম অনুযায়ী নতুন রুটে ট্রেন চালানোর আগে লার্নিং রোড পরিদর্শন করতে হয়। এতে ট্রেনের লোকো পাইলট ও গার্ডরা ওই রুটের সিগন্যাল ব্যবস্থা, লাইনের পরিস্থিতি, রুট নির্দেশিকা সম্পর্কে ধারণা নেন।

এসব জানা থাকলে ওই রুটে ট্রেন চালাতে আর সমস্যা থাকে না।

যাত্রীবাহী ট্রেন চালানোর ক্ষেত্রে নিউ জলপাইগুড়ি থেকে ভারতীয় রেলের লোকো পাইলট ও গার্ডরা বাংলাদেশের চিলাহাটি পর্যন্ত যাবেন।

চিলাহাটি থেকে বাংলাদেশের লোকো পাইলট ও গার্ডরা ট্রেনটিকে ঢাকা নিয়ে যাবেন। আবার বাংলাদেশের লোকো পাইলট ও গার্ডরা ট্রেনটিকে ঢাকা থেকে ভারতের হলদিবাড়ি পর্যন্ত নিয়ে যাবেন। এরপর ভারতীয় ইঞ্জিনের লোকো পাইলট ও গার্ডরা ট্রেনটিকে নিউ জলপাইগুড়ি নিয়ে যাবেন।

সূত্র মতে, ভারতের নিউ জলপাইগুড়ি (শিলিগুড়ি) থেকে ঢাকার মোট দূরত্ব ৫৩০ কিলোমিটার। এর মধ্যে ভারতীয় অংশে ৮৪ ও বাংলাদেশ অংশে ৪৪৬ কিলোমিটার। তবে কোনো স্টেশনে ট্রেনটি যাত্রী ওঠানো নামানোর জন্য থামবে না।

যারা এ ট্রেনের যাত্রী হবেন, তারা ঢাকায় উঠে নামবেন নিউ জলপাইগুড়িতে। আবার যারা নিউ জলপাইগুড়ি থেকে এ ট্রেনে উঠবেন, তারা নামতে পারবেন ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট রেলস্টেশনে।

রেল সূত্রে পাওয়া খবর, এরই মধ্যে টিকিট বিক্রি শুরু হয়ে গেছে মিতালী এক্সপ্রেসের। এ ট্রেনের টিকিট অনলাইনে বা কোনো মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে কাটা যাবে না। টিকিট পাওয়া যাচ্ছে বাংলাদেশের ঢাকার কমলাপুর ও চট্টগ্রাম রেলস্টেশন কাউন্টারে।

ভারতের নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন কলকাতা স্টেশন ও ফেয়ারলিপ্লেস থেকে এ টিকিট কাটা যাবে বলে জানা গেছে। টিকিট কাটতে গেলে পাসপোর্ট, ভিসাসহ করোনা প্রতিরোধে টিকাদানের সনদপত্র দেখাতে হবে।