কক্সবাজার: কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভে পুলিশের গুলিতে নিহত অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যার এক বছর পরেও স্পষ্ট হয়নি এই খুনের মোটিভ। যদিও চূড়ান্ত প্রতিবেদনে টেকনাফ থানায় মেজর সিনহার সাথে বরখাস্ত ওসি প্রদীপের সাক্ষাতকার নেওয়া নিয়ে শত্রুতা তৈরির কথা বলা হয়েছে।

এদিকে, এই ঘটনার অন্যতম সাক্ষী এবং সিনহার ভিডিও দলের সদস্য শিপ্রা দেবনাথ বলেছেন, সেই রাতে নিলীমা রিসোর্টে পুলিশের আচরণের ব্যাখ্যা আজও মিলেনি। ৮৩ জন সাক্ষীর অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সেদিন চেকপোষ্টের ব্যারিকেডের ভেতর আটকা পরে তিনি শুনেছিলেন, সিনহা ছিল প্রদীপের টার্গেট।

শ্যামলাপুর বাজারে কোরবানি ঈদের আগের সন্ধ্যায় অসংখ্য প্রত্যক্ষদর্শীর সামনে গত বছর ৩১ জুলাই এসআই লিয়াকতের গুলিতে নিহত হন অসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা। তিনিসহ চারজনের একটি দল তার আগের এক মাস ধরে ছিলেন মেরিন ড্রাইভের নিলীমা রিসোর্টে।

সবশেষ ফোনালাপের পর রাত ১২টায় সেই রাতে সহকর্মীদের বদলে দরজা খুলে পুলিশ দেখেছিলেন শিপ্রা। আর প্রথম প্রশ্ন ছিল আপনার র্যাংক কি?

সেই রাতের পর শিপ্রাকে জেলে নেয়া হয়। আর ওসি, এসআইসহ ১৫ আসামী কারাগারে। মামলার চার্জশিটে ভিডিও ক্যামেরায় ওসি প্রদীপের সাক্ষাতকার নেওয়া নিয়ে শত্রুতার জেরে হত্যাকান্ড বলে ইতি টানা হয়েছে।

যদিও ঘটনা স্বীকার করে ওসি প্রদীপ কোনো জবানবন্দী দেয়নি। এমনকি কারাগারের ভেতরেও তাকে কখনো কারো সাথে কথা বলতে দেখা যায়না বলে জানিয়েছে জেল কর্তৃপক্ষ।

প্রবাল/মইম