এই লকডাউনের সময়ে বেশিরভাগ বাচ্চারাই অনলাইনে ক্লাস করছে। যে কারণে তাদের দিনের অনেকটা সময় মোবাইল বা, কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়। তাছাড়া পড়াশোনা থেকে বন্ধুদের সাথে আড্ডা সবই এখন অনলাইনে।

এর ফলে অনেক বাচ্চাই মোবাইল ও কম্পিউটারের গেমসের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে। যার ফলে বাচ্চারা নানা শারীরিক ও মানসিক সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে।বাবা-মায়ের উচিৎ বাচ্চাদের এই স্ক্রিন আসক্তি থেকে দূরে সরিয়ে রাখা। এজন্য নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করা যেতে পারে।

১। প্রফেসর পিটার এলেচ তার গবেষণায় দেখিয়েছেন, যে বাবা-মা বাচ্চাদের নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, আর যারা সহযোগিতামূলক আচরণ করে উভয় ক্ষেত্রেই বাচ্চারা বিদ্রোহী আচরণ করে। তবে সহযোগিতামূলক আচরণ করা হলে বাচ্চারা কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। এক্ষেত্রে তাদের সাথে কথা বলে কোন চুক্তিতে পৌঁছানো যেতে পারে।

২। তারা অনলাইনে কী করছে সে ব্যাপারে স্মার্ট হন। কোন কাজে তারা কতটুকু সময় দিচ্ছে সেদিকে খেয়াল রাখুন।

৩। ঘুমের সময়ে যেন ডিভাইস ব্যবহার না করে সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

৪। শিশুদের উপর খুব বেশি কঠোর হবেন না। বেশিরভাগ শিশুই এই লকডাউনের সময় স্ক্রিনে বেশি সময় ব্যয় করছে।

৫। বাচ্চারা যেন একটানা স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন।

৬। শারীরিক ব্যায়াম ও খেলাধুলা করতে উৎসাহ দিন।

৭। বাচ্চাদের সামনে মডেল হয়ে উঠুন। পরিবার হিসাবে পরিকল্পনা করুন।

যেমন, রাতের খাবারের টেবিলে কোন ফোন নেই, ঘুমানোর আগে এক ঘন্টা ফোন ব্যবহার করা যাবে না ইত্যাদি।

প্যারেন্টিং বিশেষজ্ঞ নোয়েল জ্যানিস-নর্টন বলেছেন: “বাবা-মায়েদের সাহসী ও শক্তিশালী হওয়া এবং শিশুদের সামনে থেকে পথ দেখানো প্রয়োজন।”