বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এ সংখ্যাটি ২০১৬ সালের নির্বাচনে পড়া মোট ভোটের অর্ধেকেরও বেশি বলে মঙ্গলবার ইউএস ইলেকশনস প্রজেক্টের টালিতে দেখা গেছে।

টালি দেখাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের এবারের নির্বাচনে রেকর্ড ভাঙা গতিতে আগাম ভোট পড়ছে। ভোটের এ গতি বজায় থাকলে এক শতাব্দিরও বেশি সময়ের মধ্যে এবার ভোট পড়ার হার সর্বোচ্চ হতে পারে।

এতে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও তার ডেমোক্র্যাটিক প্রতিপক্ষ জো বাইডেনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে ভোটারদের তীব্র আগ্রহেরও ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি ভোটারদের কোভিড-১৯ এর সংস্পর্শ এড়ানোর ইচ্ছাও এতে প্রকাশ পাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

রয়টার্স বলছে, ডাকযোগে ভোট দেওয়া নিয়ে ডেমোক্র্যাটরা বেশি আগ্রহী হওয়ায় আগাম ভোটে তারা বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। ঐতিহ্যগতভাবে রিপাবলিকানরাও ডাকযোগে প্রচুর ভোট দিয়ে থাকে, কিন্তু এবার এ পদ্ধতির বিষয়ে ট্রাম্পের বারবার ও ভিত্তিহীন আক্রমণের কারণে তারা এটি এড়িয়ে যাচ্ছে। এ পদ্ধতিতে ব্যাপক কারচুপি হতে পারে বলে অভিযোগ করে আসছেন ট্রাম্প।

বিভিন্ন তথ্যে দেখা গেছে, আগাম ব্যক্তিগত ভোটের সংখ্যায় সামগ্রিকভাবে ডেমোক্র্যাটরা মোটামুটি এক ভোটের বিপরীতে দুই ভোট অগ্রগামিতা ধরে রেখেছে; তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে রিপাবলিকানরা এই ব্যবধান অনেকটা কমিয়ে এনেছে।

‘ইউএস ইলেকশনস প্রজেক্টে’ এর তত্ত্বাবধানকারী ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাইকেল ম্যাকডোনাল্ড বিপুল সংখ্যক আগাম ভোটের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে করা এক পূর্বাভাসে জানিয়েছেন, এবার রেকর্ড ১৫ কোটি ভোট পড়তে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্রের মোট ভোটের ৬৫ শতাংশ এবং ১৯০৮ সালের পর থেকে ভোট পড়ার সর্বোচ্চ হার।

২০১৬ সালের নির্বাচনে মোট ৪ কোটি ৭০ লাখ আগাম ভোট পড়েছিল, কিন্তু এবার নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালেই চলতি মাসের প্রথমদিকে ওই সংখ্যাটি পার হয়ে যায়।