রামু উপজেলায় কিশোরীকে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগে সৎ বাবাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের মালাপাড়া মিতারছড়ার একটি বাড়ি থেকে কিশোরীকে উদ্ধারসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে রামু থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অরূপকুমার চৌধুরী  জানান।

গেপ্তারকৃতরা হলেন- ওই ইউনিয়নের বাসিন্দা কিশোরীর সৎ বাবা শাহ আলম (৪০) ও অটোরিকশা চালক সায়মন (৩১) নামে এক ব্যক্তি।

পরিদর্শক অরূপকুমার বলেন, বিয়ের প্রলোভন দিয়ে সাইমন ওই কিশোরীকে সোমবার নিয়ে যান। মঙ্গলবার জোয়ারিয়ানালা এইচএম সাঁচি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন অবকাশ কমিউনিটি সেন্টারে তাকে ধর্ষণ করেন তার সৎ বাবা শাহ আলম, সাইমন ও তাদের সহযোগী মোহাম্মদ কালু।

পরিদর্শক এলাকাবাসীর বরাতে বলেন, কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে অটোরিকশায় করে ওই ইউনিয়নের মালাপাড়া মিতারছড়ার একটি বাড়িতে নেওয়া হয়। স্থানীয়রা টের পেয়ে থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে কিশোরীর সৎ বাবা শাহ আলম ও  কথিত প্রেমিক সাইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনায় কিশোরী বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে রামু থানায় মামলা করেছে বলে জানান পরিদর্শক।

কিশোরী সাংবাদিকদের বলে, “আমার বাড়ি জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের একটি গ্রামে। আমি পরিবার থেকে আলাদা হয়ে চট্টগ্রামের ভাটিয়ারীতে বসবাস করছি। আমার গ্রামের বাসিন্দা অটোরিকশা চালক সাইমন আমাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে নিয়ে আসে। পরে কমিউনিটি সেন্টারে নিয়ে কয়েকজন মিলে ধর্ষণ করে।”

তথ্য সূত্র, বিডিনিউজ