রেইজিং আওয়ার চিল্ড্রেন, রেইজিং আওয়ারসেলভস’ নামে এ বইটি এখন পর্যন্ত আঠারোটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। বেস্ট সেলার এ বইয়ের লেখক নাওমি আলডর্ট।

তিনি সামাজিক যোগাযোগ ও গণমাধ্যমে শিশু-সন্তান বড় করা নিয়ে বিভিন্ন রকম সহায়তা ও নির্দেশনা দিয়ে থাকেন।বাবা-মা আর সন্তানের সম্পর্ক উন্নয়ন নিয়ে নাওমিআলডর্ট নিষ্ঠার সঙ্গে বিশ্বজুড়ে কাজ করে যাচ্ছেন। বয়ঃসন্ধিকালের সমস্যা, বাবা-মায়ের আবেগ এসবই তার কাজের অন্তর্ভুক্ত।

সন্তানকে শাসন করা তার কাজের পদ্ধতি নয়, বরং শাসন না করে একসঙ্গে কিভাবে শান্তিতে বসবাস করা যায় সেটাই তার গবেষণা ও কাজের মূল প্রতিপাদ্য। মা-বাবা আর শিশু-সন্তানদের সম্পর্ক নিয়ে তিনি প্রতিনিয়ত লিখে যাচ্ছেন।

নাওমি আলড্রটের মতে, বেশির ভাগ সময়ই দেখা যায় তুচ্ছ সব কারণে বাচ্চারা কিছু ভাঙে কিংবা দুষ্টুমি করে। কখনো নিজের মত হাসিখুশি খেলছে আবার কখনো রেগে গেছে কিংবা বিভ্রান্ত হচ্ছে। বাচ্চা যতটা কষ্টে থাকে ততটাই কঠিন আচরণ করে আর ততোটাই তার ভালবাসা আর বোঝাপড়ার দরকার হয়।

অন্যভাবে বললে, বাচ্চাদের কোন আচরণই খারাপ নয়। আমরা এভাবে দেখতে পারি- যেসব আচরণ বাচ্চারা স্বাভাবিকভাবে করে থাকে এই বাচ্চাটি সেটি করছে না।

দায়িত্বহীন আচরণ থেকে বিরত রাখতে, নিয়মনিষ্ঠভাবে শিশুদের বড় করার জন্য আমরা যেসব শাস্তি দেই, চড় মারা কিংবা কথা না শোনার পরিণতিতে আলাদা রাখা, সেগুলোতে আমি আস্থা রাখি না শুনলে অনেক অভিভাবকই অবাক হন।

আমাকে জিজ্ঞেস করে, তাহলে বাচ্চাদের আচার ব্যবহার শেখাবো কী করে? আমি বলি, বাচ্চারা তা-ই শেখে যা তারা দেখে। শিশুদের শেখানোর সবচেয়ে সোজা রাস্তা হলো, যা শেখাতে চাই নিজে সেভাবে আচরণ করা। সহানুভূতি আর উপলব্ধি। আমরা যদি মারি, শাস্তি দেই, চেঁচাই তবে শিশুরাও সেই উগ্রতাই শিখবে।

তবে শিশুদের আলাদা করে রাখা অনেকটা ছেড়ে চলে যাওয়ার মতোই ঘটনা। শিশুরা কি করে তাদের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করবে সেটা শেখানোর পরিবর্তে তাদেরকে এই কথাই জানানো হয়, তাদের ভয়ের সময় যখন আমাদেরকে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তখন আমরা তাদের পাশে নেই।

কিন্তু আমি বেশির ভাগ সময়ই চাই, শিশুটির পাশে থেকে তাকে তার অনুভূতি নিজের মতো নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ দিতে। এর মানে কখনোই এটা না যে, সন্তান বড় করার দায়িত্ব থেকে আমরা নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছি কিংবা সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছি।

রাস্তায় দৌড়াদৌড়ি নয়, অন্য বাচ্চাদের সঙ্গে মারামারি নয়, কাপড়ে প্রস্রাব করা নয়, প্রতিবেশীর বাগানের টিউলিপ ছেঁড়া নয়, কুকুরকে ব্যথা দেওয়া নয়। এগুলো শাস্তি নয়, সীমারেখা। নিজেকে এখন প্রশ্ন করবে তো বাচ্চাকে কি করে শেখাবো ভদ্র আচরণ করতে, পরেরবার এ কাজগুলো না করতে?

গবেষণা থেকে দেখে গেছে যে প্রকৃতপক্ষে শিশুকে শাস্তি দিলে তারা আরও বেশি অসদাচরণ করে। শাস্তি পেলে শিশুরা আরও উগ্র আর আত্মরক্ষামূলক আচরণ করে। এড্রেনালিনে হরমোনের প্রবাহ, যুদ্ধ, পালানো কিংবা বলিষ্ঠতা হরমোনের প্রদাহ বেড়ে যায় আর একইসঙ্গে যৌক্তিক ভাবনাকে ব্যাহত করে।

কি কারণে তারা শাস্তি পেয়েছিলো শিশুরা সেটা দ্রুতই ভুলে যায়, এমনকি সপ্তাহজুড়ে শাস্তির অনুভূতির পরও এর পরিণাম ভুলে থাকে। যদি তারা কিছু শেখে সেটা হলো মিথ্যে কথা বলা, যাতে পরেরবার ধরা না খায়।

শাস্তি সন্তানের সঙ্গে পিতামাতার দূরত্ব বাড়িয়ে তাদের ওপর পিতামাতার প্রভাব কমিয়ে দেয়। যেসব সন্তানরা বাবা-মায়ের কাছে সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং নিশ্চিত বোধ করে না তারা ঠিকভাবে পড়াশোনা করতে পারে না, তাদের বুদ্ধিমত্তার মাত্রাও কমে যায়। সোজা কথা, একজন দায়িত্বশীল, বন্ধুপ্রতীম আর সুখি সন্তান তৈরি করতে শাস্তি কোন সাহায্য করে না। এ শুধু ভুল শিক্ষাই দেয়।

এর বদলে যদি আমরা সীমারেখা তৈরি করে দিয়ে তাদের সঙ্গে বন্ধুসুলভ থাকি এবং তাদের খুব কাছাকাছি থাকি, তাহলে শিশুরা আরও ভাল বুঝতে পারে। ওরা আমাদের শাসনের কাছে নত হবে না, তারা নিজেদেরকে দায়িত্বশীল ও প্রতিরোধী ভাবে, অন্যের ওপর তাদের প্রভাব দেখতে চায় এবং সবকিছুতে নিজেকে জড়াতে চায়।

বাবা-মাকে দেখে শিশুরা যেহেতু শিখেছে কিভাবে আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, তারা নিজেরাও জানে কিভাবে আবেগকে আর আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তারা যেরকম সেভাবেই যেহেতু তাদেরকে গ্রহণ করা হয়েছে তারাও নিজেদেরকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে তার কারণ খুঁজতে উৎসাহী থাকে।

১. নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা

এখান থেকেই শিশুরা নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে শেখে। যখন রেগে থাকবেন তখন সেই বিষয় নিয়ে আলাপচারিতার দরকার নেই। শিশুর ওপর সেই মুহূর্তে অনেক রেগে থাকলে, একজন চমৎকার অভিভাবক হিসেবে আপনার কি করা উচিত? তাহলে তাই করুন। আর যদি না করতে পারেন, সেই পরিস্থিতিতে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার আগে খুব গভীর নিঃশ্বাস নিন। সন্তানকে শাস্তি দেওয়ার প্রবৃত্তি নিবৃত করুন। এটি সবসময় অপ্রয়োজনীয় ভুল থেকে রক্ষা করে।

২. অনুভূতিকে গুরুত্ব দিন

এড্রেনালিন হরমোন কিংবা যুদ্ধ, পালানো কিংবা বলিষ্ঠতা হরমোনের প্রাবল্যের কারণে যখন আপনার সন্তান খুব অস্থির তখন সে কিছু শিখতে পারবে না। তখন তাকে উপদেশ দেয়ার বদলে নিজের কাছে বসিয়ে নিজের উপস্থিতি দিয়ে তাকে তার কাজটি উপলব্ধি করতে দেয়া উচিত। আপনার মানসিক-পীড়িত শিশুর জন্য একটি সহায়ক পরিস্থিতি তৈরি করা হবে আপনার লক্ষ্য। নিরাপদে, নজর দিয়ে, সমাধানের মনোভাব নিয়ে প্রাপ্তবয়স্কদের মতো আচরণ করাই একটি শিশুকে শিখতে সাহায্য করে।

সবোর্পরি কিভাবে নিজের আবেগের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে হয় তা জানতে হবে। উত্তাল আবেগপূর্ণ মুহূর্তে ওদের সঙ্গে তর্ক না করার চেষ্টা করুন। পরে সে নিজেই এত ভালবাসবে এত কাছের ভাববে যে নিজে থেকেই আপনার কথা শোনার জন্যে তৈরি হয়ে যাবে। আর দয়া করে ‘চুপ করো’ এই জাতীয় কথাগুলো বলবেন না। কারণ, এ কথাগুলো অনুভূতিকে আহত করে। আর ‘মিথ্যা কথা বলো না’ এমন কথা আমাদের হৃদয়ের অনুভূতি ছিঁড়ে ফেলে।

৩. একটি শিশু কী করে শেখে সেটা ভাবার চেষ্টা করুন

উদাহরণ হিসেবে দাঁত মাজার কথাই ধরা যাক। সন্তান শিশু থাকতেই শুরু করুন, তাকে সঙ্গে নিয়ে নিজের দাঁত মাজুন। ব্যাপারটা তার জন্য একটু একটু করে মজাদার করে তুলুন। তারপর ধীরে ধীরে তার ওপর দায়িত্ব ছেড়ে দিন এবং একদিন সে নিজেই করবে। ঠিক এই নিয়মেই সে ধন্যবাদ বলা শিখবে, নুয়ে পরা, নিজের জিনিস মনে রাখা, নিজের পোষা জীবকে খাওয়ানো, স্কুল থেকে দেওয়া বাড়ির কাজ করা এরকম আরও অনেক কিছুই যা আপনি ভাবতে পারেন।

নিয়মানুবর্তিতা একটি অমূল্য ব্যাপার, কারণ এটি আপনার সন্তানকে প্রাথমিকভাবে দক্ষতা অর্জনে গঠন করবে, ঠিক যেমন বাড়ি তৈরি করতে গেলে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে হয়। সন্তান জ্যাকেট ভুলে রেখে আসলে আপনি রাগ করতেই পারেন, কিন্তু শিশুর সঙ্গে চিৎকার চেঁচামিচি তাকে মনে রাখতে সাহায্য করবে না যতটা আপনার পাশে থাকা করবে।

৪. সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তার সঙ্গে কথা বলুন

যে কোন পরিস্থিতিতেই সন্তানের সঙ্গে কথা বলুন, আর তার আরও ভাল করার ইচ্ছাকে উৎসাহ দিন। সব সময় মনে রাখুন, শিশুদের মন খারাপ থাকলে কিংবা আমাদের থেকে আলাদা থাকলে অন্যায় আচরণ করবেই। বুকে টেনে নিয়ে চোখে চোখ রেখে জিজ্ঞেস করুন, ‘আমি জানি তুমি রেগে আছো, আমাকে বলো, কি চাও’।

মারবেন না তাকে। কিংবা ধরে বলুন, ‘আমি জানি তুমি আরও খেলতে চাইছো, কিন্তু এখন তোমার ঘুমের সময়।’ খুব ভালবাসা নিয়ে তাকিয়ে বলুন, আমি জানি এখন তোমার মন খারাপ। কাঁধে হাত দিয়ে বলুন, বিস্কুটের কথাটা আমাকে বলতে তুমি ভয় পাচ্ছো!

৫. নিয়ম-নীতি শেখান, তবে ব্যাখ্যা করে দিন

কিছু নিয়ম মানা অবশ্যই দরকার, আর এর থেকে আপনি ওর অবস্থানও জানতে পারেন। যখন শিশুরা অনুভব করে আমরা তাদের বুঝতে পারছি তখন তাদের মধ্যেও আমাদের কথা মেনে নেওয়ার আগ্রহ বেড়ে যায়।

‘এত জেদের কিছু নেই, তুমি অনেক কষ্ট পেয়েছো আর রাগ করে আছো, কিন্তু সেটা তুমি তোমার ভাইকে গুছিয়ে বলো।’

‘এখন ঘুমের সময়। আমি জানি তুমি অনেক লম্বা সময় ধরে খেলতে চাও।’

‘তুমি চাও না বাবা-মা তোমাকে না বলুক, আমি তোমার কথা শুনেছি, কিন্তু জবাব হলো ‘না’। আমরা তো দুজন দুজনকে চুপ থাকো বলতে পারি না, এমনকি অনেক রাগ আর ক্ষুব্ধ হলেও না।

‘তুমি যত ভয়ই পাও, আমি চাই তুমি সবসময় আমাকে সত্যি কথাটাই বলো।’

৬. খারাপ ব্যবহার একটি অভিব্যক্তি মাত্র, কারণ জানুন

আপনার সন্তানের আচরণ কি ভয়ংকর? তাহলে তার ভেতরে ভয়ংকর কোন অনুভূতি খেলা করছে, তার আরও বেশি ঘুম দরকার। আপনার সঙ্গে অনেক বেশি সময় কাটানোর দরকার, বিশ্রাম দরকার, কান্না করার অনেক বেশি সুযোগ দরকার, আর এসবই ভেতরের আবেগকে সহজে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। মূল কারণটা অনুসন্ধান করুন, তাহলে খারাপ ব্যবহারগুলো এমনিই সমাধান হয়ে যাবে।

৭. হ্যাঁ বলুন

যদি একটু আদর করে বলেন, আমরা যা বলবো, শিশুরা সব কথাই শুনবে। না এর পরিবর্তে হ্যাঁ বলার কায়দা খুঁজে বের করতে হবে, এমনকি আপনি যদি সীমারেখা তৈরিও করে রাখেন তবুও। হ্যাঁ এখন সময় হয়ে গেছে সব গোছানোর। হ্যাঁ আমি তোমাকে সাহায্য করবো। হ্যাঁ আমি তোমার খেলনাটাকে রেখে দিচ্ছি এখানে। হ্যাঁ ঠিক আছে, তুমি এখন নালিশ করতে পারো। হ্যাঁ আমরা তাড়াতাড়ি শেষ করতে পারলে একটা গল্প বেশি পড়তে পারবো। হ্যাঁ আমরা অনেক মজা করতে পারবো। হ্যাঁ আমি তোমাকে ভালবাসি এবং হ্যাঁ আমি তোমার অভিভাবক হতে পেরে অত্যন্ত গর্বিত ও আনন্দিত। হ্যাঁ, আপনার সন্তান ঠিক সেভাবেই আপনাকে উত্তর দেবে ঠিক যেমন আপনি তাকে বলছেন।

৮. প্রতিদিন সন্তানের সঙ্গে আর্দশ সময় কাটান

মোবাইল বন্ধ করে, কম্পিউটার বন্ধ করে নিজের সন্তানকে একবার বলুন, পরের বিশ মিনিট শুধু আমরা দুজন গল্প করবো। কী করবো এখন আমরা দুজন? তাকেই ঠিক করতে দিন। পৃথিবীজুড়ে শিশুদের নাকাল হওয়ার তো শেষ নেই, কিন্তু এই বিশ মিনিটের জন্য তাকে প্রাধান্য দিন এবং তাকেই জিততে দিন। চাপা হাসি মনের তিক্ততা, বিদ্বেষ আর অশান্তি দূর করে। তাই তাকে আশ্বস্ত করুন নিরীহ খেলা ও হাসির মাধ্যমে।

বালিশ দিয়ে মারামারি খেলুন, কুস্তি করুন, পাশাপাশি শুয়ে থাকুন। তাকে ছোটাছুটি করতে, চেঁচামিচি করতে, তার প্রিয় কাজগুলো করতে দিন। তার সব অনুভূতিগুলোকে আদর দিন। নিজের শতভাগ তাকে দিন। শিশুরা যখন জানবে, প্রতিদিন তাদের বাবা-মায়ের কাছে তারা একটা নির্দিষ্ট বিশেষ সময় পাবে খেলাধুলা করার জন্য, সেটা তাদের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে, তাদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে সাহায্য করবে এবং সেটা তাদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করবে।

৯. ক্ষমা করতে জানতে হবে

আপনি যদি সারাক্ষণ শুধু নিজের কথাই ভাবেন তবে আপনি কখনোই অনুপ্রেরণা দেওয়ার মতো অভিভাবক হতে পারবেন না। ঠিক আপনার সন্তানের যখন খারাপ লাগে, সে যেমন ভাল ব্যবহার করে সেরকমই কিছু হবে। কিন্তু আপনি সবসময় সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করতে পারেন। আজই শুরু করুন।

১০. আলিঙ্গন করুন

যখন সবকিছুতেই ব্যর্থতা আসে, আপনি শক্ত হয়ে সন্তানকে আলিঙ্গন করুন, তাকে আদর দিন। জুড়ে থাকা, ভালবাসা আর সংযোগের নামই তো অভিভাকত্ব।

লেখক পরিচিতি: তানবীরা তালুকদার নেদারল্যান্ডস প্রবাসী। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় আছেন। তার প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ ‘পাহাড় আর নদীর গল্প’ ও ‘শুক-সারি গল্পেরা নাগালে’। ‘একদিন অহনার অভিবাসন’ তার লেখা উপন্যাস।

কিডস পাতায় বড়দের সঙ্গে শিশু-কিশোররাও লিখতে পারো। নিজের লেখা ছড়া-কবিতা, ছোটগল্প, ভ্রমণকাহিনী, মজার অভিজ্ঞতা, আঁকা ছবি, সম্প্রতি পড়া কোনো বই, বিজ্ঞান, চলচ্চিত্র, খেলাধুলা ও নিজ স্কুল-কলেজের সাংস্কৃতিক খবর যতো ইচ্ছে পাঠাও। ঠিকানা [email protected]। সঙ্গে নিজের নাম-ঠিকানা ও ছবি দিতে ভুলো না!