শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন রনিল বিক্রমাসিংহে। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাকে শপথবাক্য পড়ান প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে।

বিক্রমাসিংহে প্রেসিডেন্ট হাউসে শপথ নেন এবং তারপর আশীর্বাদ পেতে ওয়ালুকারমা মন্দিরে যান।

দেশব্যাপী গণবিক্ষোভের মুখে মাহিন্দা রাজাপাকসে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এরপর প্রেসিডেন্ট গোতাবায়াও পরিস্থিতির ভয়াবহতা উপলব্ধি করতে পেরে ঘোষণা দেন, শিগগিরই নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হবে। সেইসঙ্গে মন্ত্রিসভায়ও আসবে নতুন সব মুখ। তার কথামতো আজ নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিলেন তিনি।

ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির (ইউএনপি) নেতা রনিল বিক্রমাসিংহে ১৯৪৯ সালের ২৪ মার্চ সিলন ডমিনিয়নে জন্মগ্রহণকারী শ্রীলঙ্কার বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ। তিনি শ্রীলঙ্কার ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির দলনেতা ও কলম্বো জেলার সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ ছাড়া, ইউনাইটেড ন্যাশনাল ফ্রন্টের প্রধান হিসেবে ২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে দলীয় জোটের প্রধান হিসেবে মনোনীত রনীল বিক্রমাসিংহে।

১৯৭০-এর দশকের মধ্যভাগে কেলানিয়া নির্বাচনী এলাকায় প্রধান সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

এরপর ১৯৭৭ সালে বিয়াগামা নির্বাচনী এলাকা থেকে সংসদীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়লাভ করেন। জুনিয়াস রিচার্ড জয়াবর্ধনের নতুন সরকার গঠিত হলে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপমন্ত্রী হন তিনি। এরপর যুব ও কর্মসংস্থানবিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পান। এর ফলে শ্রীলঙ্কার সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রীর মর্যাদা পান। পরবর্তীতে শিক্ষামন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

প্রেসিডেন্ট রানাসিংহে প্রেমাদাসা’র সরকারের শ্রমমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ১৯৮৯ সালে সংসদ নেতা মনোনীত হন। তামিল টাইগার্সের হাতে রানাসিংহে প্রেমাদাসা নিহত হলে ১৯৯৩ সালের ৭ মে তাকে প্রধানমন্ত্রী করা হয়।