নীল ঘুড়িটাকে লাল ঘুড়িটা এক চুক্কি মেরে ঢুকে যায় নীল আকাশের পেটে। তারপর বনের চিতা বাঘের সেকি চারদিকে চরকিপাক। একতে, দোতে সব হাওয়া। বনের মতো আকাশেও রাজত্ব ছিল বাঘের।

আকাশে ভেসে বেড়ায় সাগরের অক্টোপাস, রাজহাঁসসহ শত জাতের নানা আকৃতির রং বেরঙের বাহারী সব ঘুড়ি।

প্রাণঘাতি ভাইরাসের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে হাজারো পর্যটক ঘুড়ি উড়িয়ে প্রাণভরে স্বাদ নেয় নির্মল ও নিষ্পাপ গ্রামের।

আয়োজক বাংলাদেশ ঘুড়ি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মৃধা বেণু বললেন, উৎসবের উদ্দেশ্য, ঘুড়ির মতো মুক্ত আকাশে মানুষ স্বাধীনভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখা। তাইতো এবার উৎসবে যোগ হয় বাঙালির স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধুর পথিকৃত সম্বলিত ঘুড়ি।

বাংলাদেশ ঘুড়ি ফেডারেশন ও সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত দুইদিন ব্যাপি ঘুড়ি উৎসব শেষ হয় বৃহস্পতিবার। আর এই উৎসবের উদ্বোধক ছিলেন সংস্কৃতির মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালেদ এমপি।