লিটন দাসের সেঞ্চুরি এবং সাকিব আল হাসানের পাঁচ উইকেটের সুবাদে প্রথম ওয়ানডেতে ১৫৫ রানের বড় জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে ব্রেন্ডন টেলরদের পরাজিত করতে পারলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত হবে টাইগারদের। জিম্বাবুয়ের হারারে ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ম্যাচটি শুরু হবে রবিবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে।

সিরিজের একমাত্র টেস্ট ম্যাচে ব্যাটে-বলে দ্যুতি ছড়িয়েছেনে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। সেই ধারবাহিকতা ছিল প্রথম ওয়ানডে ম্যাচেও। মুজারাবানি-লুক জংউইদের বোলিং দাপটে যখন কোণঠাসা বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ, ঠিক তখন দায়িত্বশীল একটি ইনিংস খেলেন দলীয় ওপেনার লিটন কুমার দাস। শেষদিকে আফিফের দ্রুত ৪৫ রানের ইনিংসটিও বড় সংগ্রহ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন সাকিব-তাসকিন-সাইফউদ্দিনরাও। অবশ্য সাকিব একাই কাবু করে ফেলেন জিম্বাবুইয়ান ব্যাটসম্যানদের। মাত্র ৩০ রানের খরচায় পেয়েছেন ৫টি উইকেট।

প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশী ফলাফলের পর এবার দ্বিতীয় ম্যাচেও জয়ে চোখ বাংলাদেশের কোচ রাসেল ডোমিঙ্গোর। নিশ্চয়ই এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিততে চান তিনি। এ জন্য ব্যাট হাতে এবার তামিম-সাকিব-মাহমুদউল্লাহদের জ্বলে উঠতে হবে। আর উদীয়মান ব্যাটসম্যানদেরও দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে।

প্রথম ম্যাচে মেহেদী হাসান মিরাজকে মাত্র ৩ ওভার বল করিয়েছেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। বোলিংয়ে কোনো উইকেট পাননি এই টাইগার অলরাউন্ডার। দ্বিতীয় ম্যাচে নিজেকে আরো একবার সেরা প্রমাণ করার সুযোগ থাকছে। এছাড়া দাপুটে বোলিংয়ের মাধ্যমে স্বাগতিকদের চেপে ধরার সক্ষমতা রয়েছে বাংলাদেশি পেসারদেরও। আর সাকিবের ঘূর্ণি তো থাকছেই।

প্রথম ম্যাচ জিতলেও জিম্বাবুয়েকে ছেড়ে কথা বলার কিছুই নেই। কেননা ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ে বরাবরই শক্তিশালী। ব্যাট হাতে ব্রেন্ডন টেলর, রেগিস চাকাভা এবং ওয়েসলি ম্যাধভেরেরা যে কোনো সময়ই ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার যোগ্যতা রাখেন। আর বোলিংয়ে তাদের তো ব্লেসিং মুজারাবানি এবং টেন্ডাই চাতারারা আছেনই। তাই সিরিজ জিততে হলে দলীয় পারফরম্যান্সের কোনো বিকল্প নেই।

উল্লেখ্য, দুদলের ওয়ানডে পরিসংখ্যানে এগিয় রয়েছে বাংলাদেশ দল। একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে দুদলের মুখোমুখি হয়েছে মোট ৭৭ বার। যেখানে ৪৯টি ম্যাচেই জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। অন্যদিকে জিম্বাবুয়ে জিতেছে মাত্র ২৮টি ম্যাচে।