প্রবাল প্রতিবেদক : মিয়ানমার সীমান্তে সেনা সমাবেশের বিষয়ে সে দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির কাছে কোন তথ্য নেই। বৃহস্পতিবার বান্দরবানের ঘুমধুম সীমান্তে ব্যাটেলিয়ন পর্যায়ের পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবিকে একথা জানিয়েছে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি। যা বিস্মিত করেছে বিজিবিকে। তবে সীমান্তে ওপারে বিজিপি সদস্য ক্যাম্প থেকে ক্যাম্পে স্থানান্তর হচ্ছে বলে জানিয়েছে মিয়ানমার। এছাড়া সীমান্তে সব ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে দুই দেশ একসাথে কাজ করার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল নয়টায় ঘুমধুমে ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজে বৈঠক শুরু হয়। করোনার কারনে গেল নয়মাস পর বসলো এই বৈঠক। মাঝখানে মধ্যাহ্ন বিরতি দিয়ে রুদ্ধদ্বার আলোচনা চলে বিকাল তিনটা পর্যন্ত।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে সীমান্তে গত ১৪ সেপ্টেম্বর মিয়ানমারের সেনা সমাবেশের বিষয়টি। বৈঠককে বিজিপি জানিয়েছে সেনা সমাবেশ নিয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই, জানালেন বিজিবি- কক্সবাজার রিজিয়ন পরিচালক (অপারেশন) লে. কর্নেল সরকার মোস্তাফিজুর রহমান।

মিয়ানমারের পক্ষে উপস্থিত ছিলের ২- বিজিপির লে. কর্নেল স্যান নিয়ন ও এর নেতৃত্বে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল। বৈঠকে সম্প্রতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অস্থিরতার পেছনে মিয়ানমারের উসকানির নানা তথ্য নিয়েও বিজিপির দৃষ্টি আকর্ষণ করে বাংলাদেশ।

বিজিবি- কক্সবাজার রিজিয়ন পরিচালক (অপারেশন) লে. কর্নেল সরকার মোস্তাফিজুর রহমান জানান,সীমান্তে মাদক বিশেষ করে ইয়াবা চোরাচালান, মানবপাচারসহ যে কোন অবৈধ কাজ বন্ধে দু’দেশ একসাথে কাজ করবে বলে সম্মত হয় বৈঠকে।
এখন থেকে তিনমাস পরপর নিয়মিত ব্যাটালিয়ন পর্যায়ের বৈঠক করার ব্যাপারেও সম্মত হয় দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।