দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে স্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠনের উদ্যোগে ঘোষণা করা ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) প্রশাসনের আশ্বাসে এই ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নুর আহমেদ।

তিনি বলেন, দুইদিন আমরা সফলভাবে ধর্মঘট পালন করেছি। আজ মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বেড়াতে আসা পর্যটকদের কথা বিবেচনা করে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অনুরোধে আমরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছি।

টেকনাফের ইউএনও মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকার কথা বিবেচনা করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার আশ্বাসে সংগঠনগুলো ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছে। আজ সকাল সাড়ে নয়টার পর থেকে সেন্টমার্টিনের নৌযান চলাচল ও দোকানপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২ জানুয়ারি পরিবেশ অধিদপ্তর ১৪ দফা নির্দেশনা-সংবলিত গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে এবং তা বিভিন্ন গণমাধ্যমে তা প্রচার করা হয়। ‘প্রতিবেশগত সঙ্কটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে পরিবেশ অধিদপ্তরের জারি করা গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন ও পর্যটকদের অসচেতনতা, দায়িত্বজ্ঞানহীন, পরিবেশ ও প্রতিবেশবিরোধী আচরণের কারণে সেন্টমার্টিনের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। দ্বীপটিকে রক্ষায় কিছু বিধিনিষেধ আরোপের কথা বলা হয়েছে।

পরে ছেঁড়াদ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধের প্রতিবাদে সেন্টমার্টিন যাত্রী পরিবহন সমবায় সমিতি, সেন্টমার্টিন সার্ভিস বোট, স্পিডবোট, গামবোট মালিক সমিতি, ইজিবাইক (টমটম) ও ভ্যানগাড়ি সমিতি রবিবার (৩১ জানুয়ারি) তিনদিনের ধর্মঘটের ডাক দেয়।