নুর মোহাম্মদ, সেন্টমার্টিন থেকে : পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সেন্টমার্টিনে পর্যটন রাত্রীযাপন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে সেন্টমার্টিনের বাসিন্দারা।

শুক্রবার বিকাল ৩টায় সেন্টমার্টিন বি এন ইসলামিক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙনে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান মুজিবের সভাপতিত্বে প্রতিবাদচ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় বক্তব্য রাখেন এবং উপস্থিত ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা ফিরোজ আহমদ খান। তিনি বলেন, সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবস্যায়ী মাওলানা আব্দুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবস্যায়ী ও সমাজ সেবক এম এ রহিম জেহাদী, বিশিষ্ট ব্যবস্যায়ী সেন্টমার্টিন সার্ভিস বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সৈয়দ আলম, ইউপি সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যবস্যায়ী আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান খান, সেন্টমার্টিন ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের শিক্ষা পরিচালক এম এ তাহের শাহীন, সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জাহিদ হোসেন, সেন্টমার্টিন বি এন ইসলামিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আয়াজ উদ্দিন, সাবেক ইউপি সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যবস্যয়ী নুরুল হক মেম্বার, মাওলানা মোঃ সেলিমসহ দ্বীপে সর্বস্থরের মানুষ উপস্থিত হয়ে সেন্টমার্টিন পর্যটন সীমিতকরণ ও রাত্রীযাপন নিষিদ্ধ করণের প্রতিবাদ জানান। এরপর বের করা হয় একটি বিক্ষোভ মিছিল।  এসময় বক্তরা বলেন দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন নিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর ও কিছু আন্তর্জাতিক মহল যুগ যুগ ধরে ষড়যন্ত্র করে আসছে।
সেন্টমার্টিন দ্বীপে প্রায় ১০ হাজার লোক বাস করে। যাদের আয়ের প্রধান উৎস পর্যটন ব্যবসা। দ্বীপের বাসিন্দারা বছরের ৫ মাস ব্যবস্যা করে আর বাকি ৭ মাস জীবন ঝুঁকি নিয়ে প্রাকৃতিক দূর্যোগের সাথে মোকাবেলা করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।
৫ মাসের ইনকমে পুরো ১২ মাস চলতে হয় তাঁদের।

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সেন্টমার্টিনে পর্যটন রাত্রীযাপন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে দ্বীপের ১০ স্থানীয় বাসিন্দারা কর্ম হারিয়ে ফেলবে। ফলে জীবন জীবিকা নির্বাহ করতে দূর্বিষহ হয়ে পড়বে।
সেন্টমার্টিনের সর্বস্থরের জনগণ মন্ত্রণালয়ের এমন গৃহীত সিদ্ধান্ত প্রত্যহারের দাবী জানিয়ে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।