সৌদি আরবে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মঙ্গলবার করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধী সতর্কতামূলক ব্যবস্থা মেনেই দেশটিতে পবিত্র ঈদ উৎসব পালন করা হচ্ছে।

এদিকে হজের তৃতীয় দিনে মঙ্গলবার সকাল থেকে মক্কা থেকে পূর্বে মিনায় জমায়েত হওয়া শুরু করেছেন হাজীরা। মিনায় তিন জামরাতে হাজীরা শয়তানকে প্রতীকি পাথর নিক্ষেপ করবেন। পরে কোরবানী ‍ও চুল কাটার মধ্য দিয়ে ইহরাম থেকে মুক্ত হবেন হাজীরা।

এর আগে রোববার থেকে মিনায় হাজীদের অবস্থানের মাধ্যমে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। সোমবার মিনা থেকে দক্ষিণ-পূর্বে আরাফাতের ময়দানে হাজির হন তারা। সেখানে হজের খুতবার সাথে যোহর ও আসরের নামাজ একত্রে জামায়াতে আদায় করেন তারা। সারাদিন আরাফাতে ইবাদতে কাটানোর পর সন্ধ্যায় তারা আরাফাত ও মিনার মাঝামাঝি মুজদালিফায় গিয়ে রাত্রিযাপন করেন। সেখানে তারা একত্রে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করেন। করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে এই বছর শয়তানকে নিক্ষেপের জন্য হাজীদের আগেই জীবানুমুক্ত করা নুড়িপাথর সরবরাহ করা হয়েছে।

এই বছর মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদীনার মসজিদে নববীতে ঈদের নামাজের ইমামতিতে ছিলেন যথাক্রমে শেখ বানদার বিন আবদুল আজিজ বালিলা ও শেখ আলী ইবনে আবদুর রহমান আল-হুজাইফি।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল ৬.০৫ মিনিটে মসজিদুল হারামে ঈদুল আজহার নামাজ পড়ান শেখ বানদার বিন আবদুল আজিজ বালিলা।

অপরদিকে মসজিদে নববীতে স্থানীয় সময় ৫.৫৮ মিনিটে নামাজ শুরু করেন শেখ আলী ইবনে আবদুর রহমান আল-হুজাইফি।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণে সতর্কতায় এই বছর করোনা প্রতিরোধী টিকা নেয়া মাত্র ৬০ হাজার আবেদনকারী হজের অনুমতি পেয়েছেন। সৌদি আরবের বাইরে থেকে এই বছরও কোনো আবেদনকারীকে হজে অংশ নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়নি। শুধু ১৫-৬৫ বছর বয়সী সৌদি নাগরিক ও দেশটিতে বাস করা ১৫০ দেশের নাগরিক হজ করার সুযোগ পেয়েছেন।