মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্পকে কেন্দ্র করে তৈরি হচ্ছে দেশের প্রথম গভীর সমুদ্র বন্দর। আর, এই বন্দরকে কেন্দ্র করে মাতারবাড়ি হংকং সিটিতে পরিণত হবে। এমন আশাবাদ জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।

অন্যদিকে মাতারবাড়িকে পরিপূর্ণ গভীর সমুদ্রবন্দরে রূপ দিতে নৌ মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলে জানান, নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী। চট্টগ্রামের গভীর সমুদ্র থেকে একেকটি বড় জাহাজ থেকে ছোট ছোট জাহাজে পণ্য চট্টগ্রাম বন্দরে নিয়ে আসতে সময় লাগে প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন।

আবার কখনও কখনও কন্টেইনার জটের কারণে বড় জাহাজকে গভীর সমুদ্রে অপেক্ষা করতে হয় দিনের পর দিন। এতে পুরো সময়ের ভাড়া যুক্ত হয় পণ্যের দামে। আবার পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রেও একই সংকটে পড়তে হয়। খরচ বাড়ার কারণে হোঁচট খেতে হয় উদ্যোক্তাদের।

এমন সব সংকটের উত্তরণের পথ তৈরি হয়েছে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্পকে ঘিরে।  বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়লা আমদানিকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছে গভীর সমুদ্রবন্দর।

১৮ মিটার গভীর ও ২৫০ মিটার প্রশস্তের চ্যানেল দিয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সরঞ্জাম বড় জাহাজে করে সরাসরি তীরে আনা হয়েছে ইতোমধ্যেই। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের এই জেটির পাশেই সমুদ্র বন্দরের পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে নৌ মন্ত্রণালয়।

গভীর সমুদ্র বন্দর পাল্টে দিতে পারে অর্থনীতির চিত্র। ভূ-রাজনৈতিক কারণে আশপাশের দেশের পণ্য পরিবহনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান, অর্থনীতিবিদ গোলাম মোয়াজ্জেম। বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে ঘিরে গড়ে ওঠা এই বন্দর মাতারবাড়িকে হংকং সিটিতে পরিণত করবে বলে আশার কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

নির্ধারিত সময়ে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের কাজ শেষ হলে ২০২৪ সালে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে।

সূত্র : একাত্তর অনলাইন