সমাজ ও রাষ্ট্রেকে ইসলামের আলোয় আলোকিত করতে হলে নারীদেরকে ইসলামের গভীর জ্ঞান শিক্ষাদানের বিকল্প নেই। পৃথিবীর ইতিহাসে অসংখ্য নারী ইসলামের শিক্ষা প্রসারে সময়ের অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। শিক্ষার সকল শাস্ত্রে সেই মহিয়সি নারীদের উপস্থিতি অবাক করার মতো। অধ্যয়ন, অধ্যাপনা, গ্রন্থ রচনা, আত্মশুদ্ধি চর্চা থেকে শুরু করে ইসলামী শিক্ষার অনন্য সকল শাখায় নারীদের অবদান চোখ কপালে উঠার মতো। বর্তমানে পশ্চিমাদের চতুর্মুখী আগ্রাসন ও বিজাতীয় সংস্কৃতির কবলে পড়ে মুসলিম মহিলা সেই সোনালী ইতিহাস ভুলতে বসেছে। হ্নীলা উম্মে সালমা মহিলা মাদরাসা এই এতদঞ্চলের নারীদেরকে ইসলামের মৌলিক শিক্ষাদানের মাধ্যমে মুসলিম নারীদের সেই সোনালী সুদিন ফিরিয়ে আনার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার হ্নীলা উম্মে সালমা রা ইসলামীয়া মহিলা মাদরাসার বার্ষিক সভা-২২ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন বাংলাদেশের গর্ব, আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়া চট্টগ্রাম-এর সহকারী পরিচালক, বিশ্ববরেণ্য আলেমেদ্বীন আল্লামা ওবায়দুল্লাহ হামযাহ হাফি.।

মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা এনামুল হক মনজুর এবং মাওলানা দিলদার আহমদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বার্ষিক সভায় আরো আলোচনা করেন হ্নীলা জামিয়া দারুস সুন্নাহর সাবেক মুহাদ্দিস ও শিক্ষা পরিচালক মাওলানা মুফতি হোসাইন আহমদ কাসেমী ও রামু রাজারকুল মাদরাসার শিক্ষা পরিচালক মাও. জসিম উদ্দিন।

মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাবেক টেকনাফ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাও. রফিক উদ্দিন, হ্নীলা জামিয়া দারুস সুন্নাহর সম্মানিত মুহতামিম মাও. আফসার উদ্দিন কাসেমী ও মাও. আবুল হাসেম এর ক্রমান্বয়ে সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় হ্নীলার প্রয়াত দুই মহান বুযর্গ শাইখুল হাদিস আল্লামা শাহ মুহাম্মাদ ইসহাক (সদর সাহেব রহ.) আল্লামা শাহ সূফি আখতার কামাল ( ছুফি সাহেব হুজুর রহ.) এবং মাদরাসার শুভাকাঙ্ক্ষী মাও ফরিদ আহমদ ও মাও নূরুল ইসলাম-কে মরণোত্তর এবং জামিয়া দারুস সুন্নাহর সদরে মুহতামিম মাও. কারি মোখতার আহমদ ও মাদরাসার পরিচালনা কমিটির সহ সভাপতি মাও. আবুল হাসেমকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।