দীর্ঘ ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর সারাদেশের মত টেকনাফে স্কুলে যাওয়ার সুযোগ পেলো এ উপজেলার অন্তত অর্ধলক্ষাধিক শিক্ষার্থী।

স্কুল খোলা উপলক্ষে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, মাদরাসা, কিন্ডারগার্টেন স্কুল গুলোতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে আগে থেকেই। স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবাই যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে, তার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন পর ক্লাসে বসার আনন্দে মাতোয়ারা শিক্ষার্থীরা এক সপ্তাহ ধরে স্কুলব্যাগ, ড্রেস, জুতা ইত্যাদি কিনে স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে।

শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অনেকটাই নতুন রূপে সাজানো হয়েছে।

উপজেলার প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করছে কিনা তা সরাসরি
তদারকি করছেন টেকনাফ উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ এমদাদ হোসেন চৌধুরী।

রবিবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দিন উপজেলার ২৯টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভিডিও কলের মাধ্যমে তদারকি করাকালে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় তিনি আরো বলেন, শিক্ষাঙ্গনের এই আনন্দঘন পরিবেশ যাতে কোনভাবেই ম্লান না হয়, সেদিকে শিক্ষক ও অভিভাবকদের বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ করোনাকালে নিরাপদ দূরত্ব মানা, মাস্ক পরা ও ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার বিকল্প কোনো পন্থা নাই।

শিক্ষা অফিসার বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে পরিচ্ছন্নতার কাজ ভালোভাবে করা হয়েছে কি না, শিক্ষার্থীরা যাতে নিরাপদ দূরত্ব মেনে শ্রেণি কক্ষে বসে সেজন্য শিক্ষার্থীদের আসন বিন্যাস যথাযথভাবে করা হয়েছে কি না তা দেখেন।

শিক্ষা অফিসার প্রতিষ্ঠান খোলার প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যাতে আর বন্ধ রাখতে না হয় সে ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনাদি ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে আহ্বান জানান।