কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের যক্ষ্মারোগ শনাক্তকরণে উন্নত প্রযুক্তি সংযোজিত ভ্রাম্যমাণ এক্স-রে গাড়ি চালুর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি (এনটিপি) ও বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক।

বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের সিভিল সার্জন কার্যালয় প্রাঙ্গণে ভ্রাম্যমাণ এক্স-রে গাড়ির মাধ্যমে চিকিৎসা সেবার উদ্বোধন করা হয়।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ব্র্যাক জানিয়েছে, যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচিকে আরও বেগবান করতে এনটিপির আওতায় এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে ব্র্যাক।

কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মাইক্রোব্যাকটেরিয়াল ডিজিজ কন্ট্রোল (এমবিডিসি)-এর পরিচালক ওজাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির লাইন ডাইরেক্টর অধ্যাপক শামিউল ইসলাম।

উদ্যাক্তারা জানিয়েছেন, এক্স-রে ও অত্যাধুনিক জিন এক্সপাট সংযুক্ত বিশেষ ধরনের এই ভ্রাম্যমাণ গাড়ির মাধ্যমে উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতিদিন গড়ে ১০০ জন রোগী এক্স-রে করার সুযোগ পাবেন।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সামাজিক দূরত্বসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই সেবা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে তারা।

একজন ল্যাব টেকনিশিয়ান ও রেডিওগ্রাফারের মাধ্যমে সম্ভাব্য রোগীকে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অনলাইন পদ্ধতিতে দ্রুত ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে শিগগিরই আরও একটি নতুন ভ্রাম্যমাণ গাড়ি সংযুক্ত হবে বলে জানিয়েছে ব্র্যাক।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে কক্সবাজার জেলার সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জাকির হোসেন খান, জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির চট্টগ্রাম বিভাগের ডিভিশনাল এক্সপার্ট ডা. বিশাখা ঘোষ, ব্র্যাকের যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির ব্যবস্থাপক এস এম গোলাম রায়হান, ফোর্সলি ডিসপ্লেসড মিয়ানমার ন্যাশনালস প্রকল্পের আওতাধীন কমিউনিকেবল ডিজিজেজ কর্মসূচির লিড ডা. আল মামুন সিদ্দিকী এবং কক্সবাজারের হিউম্যানিটারিয়ান ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামের অধীন স্বাস্থ্য ও পুষ্টিকর্মসূচির লিড ডা. এ এফ এম মাহবুবুল আলম উপস্থিত ছিলেন।