মমতাজুল ইসলাম মনু : ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন ঘিরে সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের ৪ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান, মেম্বার ও সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার প্রার্থীরা গতকাল শুক্রবার থেকে শুরু করেছেন ভোটারদের ধারে ধারে ছুটে চলা।

রাতারাতি পোস্টার ফ্যাস্টুনে ছেয়ে গেছে পুরো নির্বাচনী এলাকা। প্রার্থীরা শুরু করে দিয়েছেন সভা-সমাবেশ, গণসংযোগ,চা আড্ডা ও প্রচারণার সব ধরণের কৌশল। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে মাইকিং।

হ্নীলা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রাশেদ মাহমুদ আলী উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ভোট প্রার্থনা করছেন। দিন-রাত গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও সভা-সমাবেশের মাধ্যমে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। নৌকা প্রতীকের কর্মী-সমর্থকদের নির্বাচনী প্রচারণায় সরগরম বিভিন্ন এলাকা।

রাশেদের প্রতিদ্বন্ধি কামাল উদ্দিন মাইকে প্রচারণা থাকলেও নীরবে চলছে নির্বাচনী প্রচারণা। অপরদিকে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী নুরুল হোছাইন ফাহিমের পক্ষে প্রকাশ্যে কোনো প্রচার-প্রচারণা কিংবা গণসংযোগ চোখে না পড়লেও আনারস প্রতীকের আলী হোসেন শোভন তার সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন।

এ প্রসঙ্গে নৌকার প্রার্থী রাশেদ বলেন, ‘উপনির্বাচনে নির্বাচি হয়ে গত ২ বছরে ইউনিয়নবাসীর সেবা করে যে ভালোবাসা অর্জন করতে পেরেছি তাতে দ্বিতীয়বারের মতো  ইউনিয়নবাসী আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করবেন।’

হোয়াইক্যং ইউপি নির্বাচনে বর্তমান চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারীর চশমা প্রতীক জনপ্রিয়তা  ও প্রচার-প্রচারণায় এগিয়ে থাকলেও নৌকার প্রার্থী আজিজুল হক দলীয় সমর্থনের জায়গায় খুব একটা পিছিয়ে নেই।

একইভাবে টেকনাফ সদর ও সাবরাং ইউপিতে চেয়ারম্যান প্রার্থীরা প্রচার প্রচারণায় এগিয়ে থাকলেও  জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন সাবরাং ইউপিতে বর্তমান চেয়ারম্যান নুর হোসেন ও টেকনাফ সদর ইউপিতে স্বতন্ত্রপ্রার্থী জিয়াউর রহমান বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা।